What do you think?
Rate this book


128 pages, Hardcover
First published February 1, 2013
উপন্যাসের কাহিনি পালরাজা রামপাল আর কৈবর্তরাজ ভীমের দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিয়ে।
কৈবর্তরা নিম্নজাত হয়েও বছরের পর বছর ধরে গোটা বরেন্দ্রভূমি তাদের দখলে তা মেনে নিতে পারেনি পাল আর তাদের সামন্তরা। তাই বংশ পরম্পরায় বারংবার বরেন্দ্র আক্রমণ করেছে পালরা। কিন্তু প্রতিবারই পর্যুদস্ত হয়েছে বরেন্দ্রের কৈবর্তরাজ শাষকদের হাতে। কৈবর্তরাজ ভীমের সবচেয়ে বড় শক্তি তার পালকপুত্র চণ্ডক। চণ্ডককে দিতে চেয়েছিলেন তিনি পুত্রের মর্যাদা। কিন্তু চণ্ডকের সাথে এক অলিখিত বিরোধ ছিলো ভীমের আত্মজদের সাথে। ভীমের পুত্র, স্ত্রী কেউই পুরোপুরি আপন করে নিতে পারেনি পালকপুত্র চণ্ডককে। মন্ত্রী আমলারাও যথাযথ সম্মান দেয়নি সেই চণ্ডককে৷ এর এ সকল গ্লানি একসময় তীর হয়ে বিঁধছিল চণ্ডকের হৃদয়ে।
উপন্যাসের নাম 'মোহনা'। কে এই মোহনা?
মোহনা সে সময়কার এক বারাঙ্গনা যার সাথে সখ্যতা হয়েছিল চণ্ডকের। আর বইটির প্রচ্ছদে এই মোহনা নিয়ে আছে কিছু চমকপ্রদ ইঙ্গিত। যা মোহনা আর চণ্ডকের পরিনতি নিয়ে জানতে আগ্রহ যোগাবে। কিন্তু উপন্যাসটির যতো গভীরে গমন করা হবে ততো অনুধাবন হবে যে উপন্যাসটি পাল-কৈবর্ত দ্বন্দ্ব-সংঘাতের এক গভীর বিয়োগান্তক পরিনতির উপাখ্যান আর চণ্ডক-মোহনার প্রেম সেই নির্মম পরিনতির প্রেক্ষাপট মাত্র।
উপন্যাসটিতে হরিশংকরের অনন্যসাধারণ লেখনীতে কৈবর্তদের একাত্মতা, ভীমের পালকপুত্র চণ্ডক ও ভীমের প্রথমপুত্র শর্বের মধ্যকার দ্বন্দ্ব, পাল রাজাদের ক্রোধের কারণ, মোহনার বারাঙ্গনা হওয়ার ইতিবৃত্ত, চণ্ডকের করুণ শৈশবকাল, সেসময়কার বারাঙ্গনাপল্লীর বিবরণ সকল কিছুর সুচারু বর্ণনা বর্ণিত হয়েছে।