Jump to ratings and reviews
Rate this book

দুই মেরু

Rate this book

63 pages, Hardcover

First published February 1, 1990

3 people are currently reading
25 people want to read

About the author

Jahanara Imam

29 books111 followers
Jahanara Imam (Bangla: জাহানারা ইমাম) was a Bangladeshi writer and political activist. She is most widely remembered for her efforts to bring those accused of committing war crimes in the Bangladesh Liberation War to trial. She was known as "Shaheed Janani" (Mother of Martyrs).

She obtained her Bachelor's Degree in 1947 from Lady Brabourne College of Calcutta University and a Master's Degree from University of Dhaka. She took teaching as her career.

After Bangladesh achieved independence, Jahanara Imam started her literary career. In 1986 she published her wartime diary একাত্তরের দিনগুলি (The days of Seventy One). Publication of this book was a seminal event in the history of Bangladesh. It proved to be a catalyst for the renewal of faith in the destiny of Bangladesh as an independent nation.

Jahanara Imam organized the Ghatak-Dalal Nirmul Committee (Committee to exterminate the Killers and Collaborators), and became its public face. The committee called for the trial of people who committed crimes against humanity in the 1971 Bangladesh Liberation War in collaboration with the Pakistani forces. The Ghatak-Dalal Nirmul Committee set up mock trials in Dhaka in March 1992 known as Gonoadalot (Court of the people) and 'sentenced' persons they accused of being war criminals. Imam and others were charged with treason.[citation needed] This charge was, however, dropped in 1996 after her death by the Chief Advisor Mohammed Habibur Rahman of the Caretaker government of that time.

She was died of cancer in 1994. She was honored with Bangla Academy Award in 1991.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
3 (15%)
4 stars
8 (40%)
3 stars
8 (40%)
2 stars
0 (0%)
1 star
1 (5%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Nadia Jasmine.
214 reviews18 followers
May 6, 2025
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের জন্মদিন ছিল ৩’রা মে। সেদিন ২০২১ সালে কেনা এই বইটার কথা মনে পড়ল। না পড়া বইয়ের তাক থেকে ঝেড়ে মুছে বের করলাম ‘দুই মেরু’। এটুকু জানা ছিল যে কাহিনীতে একাত্তর আছে। কতটুকু বা কিভাবে আছে জানতাম না।

মাসুক হেলালের প্রচ্ছদের কথা শুরুতেই আলাদা করে বলতে চাই। কাহিনী তাঁর আঁকা প্রচ্ছদের ছবিটা দেখে পড়তে শুরু করলে শেষ করে আরেকবার দেখতে মন চায়। ছবিটির মর্মার্থ তখন বোঝা একটু সহজ হয়।

উপন‍্যাসিকাটির মূল চরিত্র রুবা। আর লেখিকা প্রতিটি অধ‍্যায়কে ভাগ করেছেন ঘটনার সময়কাল উল্লেখ করে। না, ডায়েরীর মতো নয়। বরং, শুরুতে তিনি অতীত ও বর্তমানে পাঠককে আনা নেওয়া করার জন‍্য এই উপায় বেছে নিয়েছিলেন। শেষে সেটা আর করতে হয় নি।

রুবা আর আসিফের দাম্পত‍্য জীবনের টানাপোড়েন পড়ে গল্পটি পুরনো মনে হয় না। মনে হয়, এসব ঘটনা চিরায়ত! সবসময়ে ঝামেলা পাকাতে চাইলে হিংসা, আধিপত‍্য বিস্তারের চেষ্টা, নারীর ইচ্ছার অমর্যাদা এসব যেকোন পুরুষ খুব অনায়াসে ব‍্যবহার করতে পারে। সমাজ ও পরিবার তা খুব সহজভাবে নেয়। আর দোষটি হয় নারীর। একারনেই, জটিল পরিস্থিতিতে সংবেদনশীল নারীটির প্রত‍্যাশা কমতে কমতে শুধুমাত্র আত্মসম্মান রক্ষায় গিয়ে ঠেকে। এদের কেউ কেউ সিস্টমের কাছে মাথা নত করে বাঁচে। আর খুব কম সংখ‍্যক মানুষ রুবার মতো গল্পের জন্ম দেয়।

বহুকালের বিচ্ছেদের পর আবার দেখা হলে কি পরিবর্তিত কোন মানুষের দেখা মেলে? অন্তত এই উপন‍্যাসিকায়? টুপুর নামক সাদা মনের বাগানবিলাসী কিশোরীটির দিকে তাকিয়ে আসিফ কি শেষমেশ আরেকটু ভালো বাবা ও মানুষ হবার সংকল্প গ্রহণ করে?

খুবই অপ্রত‍্যাশিত ছিল বইটির সমাপ্তি। চার দেয়াল আসলে যে শুধুমাত্র একটি ঘর নয়, তা পাঠক উপলব্ধি করে। পাঠককে রুবার বাড়িটি (!) মনে করিয়ে দেয় যে এই সমাজ নারীর মনের খবর বিবেচনা করে তৈরিই হয় নি। তা তৈরি হয়েছে একসময়ে তার চাওয়া পাওয়া যাতে গৌনরূপ নেয়, এই উদ্দশ‍্যে। নারীর পরিপক্বতা প্রমাণ করতে সমাজের মাপকাঠিও সুন্দর। দেখা যায়, এটি পুরোপুরি নির্ভর করে সে কতোটা ঝুঁকে নমনীয় হয়, নারীসুলভ হয়, সেটার উপর। এর বাইরে অবস্থান করতে চাইলে স্বজনও বলে বসে রুবাকে যে রুবার ‘খারাপ অবস্থা’। আর পড়তে পড়তে মনে হয় আমাদের যেন আরো অবনতি ঘটেছে। আমরা পিছিয়ে শেষমেশ কোথায় গিয়ে ঠেকতে চাচ্ছি, জানি না।

১৯৯০ সালে লেখা উপন‍্যাসিকাটি এখনো চিন্তার এরকম খোরাক তৈরির কারনে প্রাসঙ্গিক। মুগ্ধ করে শ্রদ্ধেয়া জাহানারা ইমামের পরিমিতিবোধ। বাংলাদেশের পরিবারগুলো বিবাহিত জীবনকে কোন দৃষ্টিতে দেখে, ‘ম‍্যানেজ’ করে, সম্পর্কের জন‍্য মানুষ কতোটুকু ত‍্যাগ করে, এসবই তিনি একটুও ভ্রুকুটি না করে দেখিয়েছেন। দেখিয়েছেন যা যেমন, তা তেমনি। কিছু শেখাতে মরিয়া হন নি কোন বাক‍্যে। বলতে চান নি যে দাম্পত‍্য এমন হলে ভালো বা অমন হলে খারাপ।

একজন নারীর শক্তিমত্তা দেখাতে তো আসলে তার হাতে বন্দুক, পিস্তল তুলে দেওয়াটা বেশ সিনেমা সিনেমা। আর বাস্তবানুগও নয়। তাঁকে দিয়ে রাগের বশে গালিগালাজ করানোও বেশ ক্লিশে। জাহানারা ইমাম ঐ পথে হাঁটেন নি। নারীর শক্তি যে তার চিন্তার পরিধির ব‍্যাপ্তিতে তা আমাদের বুঝতে কষ্ট হয় না। বইটি লেখার কারনও মনে হয় এটাই ছিল।

রুবার চিন্তায় খাদ না থাকায় এটা স্পষ্ট হয় যে রুবার মতো হতে পারাই সত‍্যিকারের খাঁটি মানুষ হওয়া। একারনেই, বইটি শেষ করে রুবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অনেক বেড়ে যায়।

উপন‍্যাসে ও গল্পে নারী চরিত্র নির্মান এখন কেমন হচ্ছে আমাদের দেশে? নীরবে যুঝতে থাকা নারীদেরকে কি অসহায় হিসাবে দেখানো হয় নাকি শরীরের নানা বাঁকের বর্ণনাতেই নারী চরিত্রের উপস্থিতি গুটিয়ে নেওয়া হয়? কারন, যেহেতু থ্রিলার ও ডিসটোপিয়ান উপন‍্যাসই দেখা যায় পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছে আর সমকালীন সমাজ নিয়ে উপন‍্যাস বা গল্প তেমন চোখে পড়ছে না তাই প্রশ্নগুলো মাথায় আসলো।

পুনশ্চ- উপন‍্যাসিকাটিতে মুক্তিযু্দ্ধের সময়কালটি নিরুপদ্রব। আর সেই প্রসঙ্গ এসেছে একটি তুলনার মাধ‍্যম হিসাবে।
Profile Image for JANNATUL BUSHRA SUPTY .
12 reviews
Read
October 12, 2024
বই: দুই মেরু
লেখক: জাহানারা ইমাম
পৃষ্ঠা: ৬৪
মলাট মূল্য: ১২৫ টাকা

কিছু কিছু বই আছে যেগুলোর শেষটা আগে থেকে বোঝা যায় না। এটাও সেই ধরনের বই। ফ্যামিলি স্ট্যাটাসে বিস্তর ফারাক থাকলে গভীর প্রেমও যে এক সময় মুখ থুবড়ে পড়ে তা এ বই পড়লে আরো স্পষ্ট হয়। কেননা, পারিবারিক রক্ষণশীলতা সবার মধ্যেই থাকে। সে যতো বড় প্রেমিক পুরুষই হোক না কেন। প্রেমের সময় সবকিছু ভালো লাগলেও সংসার জীবনের হিসাব আলাদা। রুবা আর আসিফের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। দুই মেরুর টানাপোড়নে তাদের সংসার জীবনের উত্থানপতন নিয়েই উপন্যাসটি।
215 reviews4 followers
September 25, 2022
একাত্তরের দিনগুলি দিয়ে জাহানারা ইমামের লেখার সাথে পরিচয়, আজ পড়লাম তার লেখা অতি আধুনিক উপন্যাসিকা। লেখাটা কলেবরে ছোট, তবে ভীষণ সুখপাঠ্য।

গল্পের প্রধান চরিত্র রুবা যেন জীবন্ত এক পরিচিত মুখ। সে যেন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাম রাজনীতি করা, সমাজ সচেতন, সম অধিকারের মুখপাত্র সেই হারিয়ে যাওয়া বান্ধবীটি - যে শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়ায়, মাথা নোয়ায় না।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.