প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত হাওড়া দেওয়ানি আদালতের আইন-ব্যবসায়ী। আইনজীবী ছিলেন পিতা এবং পিতামহ উভয়েই। পেশাগত বিষয় ছাড়া প্রত্নতত্ত্ব, শিল্পকলা, গোয়েন্দা, থ্রিলার ও ভৌতিক সাহিত্য, বিদেশী ছায়াছবি, প্রভৃতির প্রতি অনুরাগ। ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়েছে লেখকের ভ্রমণ-বিষয়ক রচনার সংকলন পথে চলে যেতে যেতে, ভারতীয় শিল্পকলার ইতিহাস বিষয়ক গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ভারতশিল্পে নারীমূর্তি, খাজুরাহো, মান্ডু, ভারতের মন্দির ভাস্কর্যে সমাজ ও সংসার,ইলোরা: প্রত্ন ও শিল্প, রহস্যের তাজমহল, ওরছা এবং গোয়েন্দা ও রহস্য সাহিত্যের ইতিহাস ইত্যাদি প্রসঙ্গে আলোচনা এবং গবেষণামূলক বই সাহিত্যের গোয়েন্দা, রহস্যের রানি আগাথা ক্রিস্টি, গোয়েন্দাচরিত, সাসপেন্সের সম্রাট হিচকক। প্রসেনজিৎ সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি কর্তৃক সম্মানীত হয়েছেন তাঁর রচিত শিল্পকলা বিষয়ক গ্রন্থের জন্য।
অনেক অনেক বইয়ের রেফারেন্সে দার্জিলিং এর খুঁটিনাটি আবার চেনালেন লেখক। সরল, সুললিত ভাষায়। আর কত বইয়ের যে খোঁজ পেলাম! এই বইয়েই হাওয়াবদল ও অন্যান্য রচনা এর অংশবিশেষ পড়ে এত ভালো লাগল যে তৎক্ষনাৎ নামিয়ে পড়েও নিলাম! অবন ঠাকুরের কলমের তুলনা হয় না আসলে। যেমন অবন ঠাকুর, মোহনলাল তেমনি ওদিকে উপেন্দ্রকিশোর, পুণ্যলতা আর সত্যজিৎ! লীলা মজুমদারের কথাও ভুললে চলবে না। ভাগ্যিস, এঁরা সকলে গেছিলেন দার্জিলিং আর লিখেছিলেন কিছু কিছু! স্বর্ণকুমারী দেবীর চিঠিগুলোও খুব সুন্দর। দু:খের বিষয়, এই পুরো চিঠির সংকলনটা পেলাম না কোথাও। পেলে সেটাও পড়ে নিতাম!