What do you think?


আজব নগরী
কলকাতার আদিলগ্ন থেকে শুরু করে অনেক অজানা ইতিহাস বলা হয়েছে বইতে।বইটার তেমন কোন নাম,টাইটেল Goodreads এ পাওয়া যায়নি বলে আমি নিজে তা এড করে দিলাম।
Fahim Kishor
Fahim Kishor
- GenresNonfiction
Hardcover
First published August 15, 1957
About the author
Sreepantha
26 books63 followersশ্রীপান্থের জন্ম ১৯৩২ সালে, ময়মনসিংহের গৌরীপুরে | লেখাপড়া ময়মনসিংহ এবং কলকাতায় | শ্রীপান্থ তরুণ বয়স থেকেই পেশায় সাংবাদিক | আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগের সঙ্গে যুক্ত | সাংবাদিকতার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণামূলক রচনাদি লিখে যাচ্ছেন তিনি | তাঁর চর্চার বিষয় সামাজিক ইতিহাস | বিশেষত কলকাতার সমাজ ও সংকৃতি | তিনি সতীদাহ,দেবদাসী,ঠগী,হারেম-ইত্যাদি বিষয় নিয়ে যেমন লিখেছেন, তেমনিই কলকাতার পটভূমিতে লিখেছেন একাধিক রচনা | তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: আজব নগরী, শ্রীপান্থেরকলকতা, যখন ছাপাখানা এল, এলোকেশী মোহন্ত সম্বাদ, কেয়াবাৎ মেয়ে, মেটিয়াবুরুজের নবাব, দায় ইত্যাদি | বটতলা তাঁর সর্বশেষ বই | কলকাতার শিল্পী সংস্কৃতি বিষয়ে তাঁর বেশি কিছু প্রবন্ধ ইংরেজিতেও প্রকাশিত হয়েছে | বাংলা মুলুকে প্রথম ধাতব হরফে ছাপা বই হালেদের 'আ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গোয়েজ'-এর দীর্ঘ ভূমিকা তার মধ্যে অন্যতম | পঞ্চাশের মন্বন্তরের দিনগুলোতে বাংলার শিল্পী সাহিত্যিক কবিদের মধ্যে নব সৃষ্টির যে অভুতপূর্ব বিস্ফোরণ ঘটে তা নিয়ে লেখা তাঁর 'দায়'বইটির ইংরেজিতে অনুবাদ প্রকাশিত হতে চলেছে |
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
May 11, 2023
বিভিন্ন কীর্তি কুকীর্তি! লেখকের নিজস্ব লিখ্য নিয়মে
November 22, 2023
সেকালের কলকাতা সম্পর্কে অনেক কিছু জানা গেলো!
August 12, 2022
কলকাতার গোড়াপত্তন নিয়ে উপন্যাসিক ভাষায় লেকজা
August 4, 2024
আজব নগরী
লেখক:শ্রীপান্থ
চিরাচরিত ইতিহাস যেটা পড়ে আমরা অভ্যস্ত সেটার বাইরে আরো নতুন কোন ইতিহাস নিয়ে তথ্য দেয়াই শ্রীপান্থের লেখা।
লেখক কলকাতাকেই কেন আজব নগরী বললেন,তা এই বইয়ের প্রতিটি পাতায় অনবদ্যভাবে উল্লেখ করেছেন।তখনকার কলকাতা শহরের একদম প্রাথমিক অবস্থা কেমন ছিল? তখনকার বিস্ময়কর কাহিনীগুলো, ছোট ছোট অংশে খুব সুন্দরভাবে লেখক তার নিজস্ব স্টাইলে লিখেছেন। আমরা অনেকেই ইতিহাস পড়ে জেনেছি যে ১৬৯০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এজেন্ট জব চার্নক এই কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা। কিন্তু ইতিহাসের আরও গভীরে গেলে জানা যায়, অন্তত ৬০ বছর আগে কলকাতার মাটিতে আরমানিয়ানদের বসতি ছিল। ইংরেজদের আমলে আজকের এই আলো-ঝলমলে নগরী ছিল অস্বাস্থ্যকর, দারিদ্রের অন্ধকার ও অসভ্যতার অন্ধকারে ঘেরা একটা নগরী।
"জাল,জুয়াচুরি, মিথ্যা কথা এই তিন নিয়ে কলকাতা"-তাই তো তখনকার নিষ্ঠাবান ব্রাক্ষণেরা এই শহর এড়িয়ে চলতেন। লেখক এখানে আর্মেনিয়ানদেরকে কলকাতার পিতামহ বলেছেন,কারণ জানা যায় কলকাতার সবথেকে প্রাচীন গীর্জাটাই হচ্ছে আরমানি গীর্জা।
আজব নগরীর একেকটা রাস্তার নামও বার বার বদল হতো। নামগুলো সুন্দর হলেও তার পেছনের ইতিহাস ছিল ভয়ংকর। ফ্যান্সি লেনের রাস্তার পাশের সুন্দর বড় গাছ ছিল কত শত ফাঁসির সাক্ষী। হ্যাঁ, এই গাছগুলোতেই হতো ফাঁসি। তখনকার কলকাতায় বইচার হতো কোম্পানির কায়দায়, আর তাদের কানুনও ছিল আজব।
এই আজব নগরীর, দাস সমাজের প্রথম মুক্ত পুরুষ ছিল ইন্দে। তখন কলকাতায় আলু পটলের মত মানুষ কেনা-বেচা হতো। দাম ২০টাকা থেকে ৭০টাকা। কেউ বিক্রি হতো ক্ষেতের কাজে তো কেউ গৃহস্থালির কাজে। অমানুষিক অত্যাচারও হতো তাদের উপর। ১৭৮০ সালের কোন একদিন ডানকেন সাহেবের কুঠি থেকে ইন্দে নামের দাসটি পালিয়ে গিয়ে কলকাতা থেকে দাস কলংক মুছে দিয়ে গেছে।
হুক্কা ও এক্কার জায়গা ছিল এই কলকাতা। তখনকার কলকাতায় ইউরোপিয়ানদের ঘরে ঘরে ছিল পালকি। যার যেমন ঘর, তার তেমন পালকি,তার তেমন বেহারা। তাই বলে বেহারাদের রোজগার খুব একটা ভালো ছিল না। তারা কি এই নুন্যতম রোজগার নিয়ে দিন অতিবাহিত করতে পারতো? ইতিহাস তা বলে না।
আসলে এই ছোট বই নিয়ে লিখতে হলে অনেক অনেক কিছুই লিখতে ইচ্ছে করবে। আমি এই ধরনের বই অনেক সময় নিয়ে পড়ি। আমার নিজের কলকাতা নিয়ে বই খুব একটা পড়া হয় নাই। তবে শ্রীপান্থের এই বইতে অনেক অজানা ব্যাপার জানা যাবে।কলকাতা আসলেই আজব নগরী।
লেখক:শ্রীপান্থ
চিরাচরিত ইতিহাস যেটা পড়ে আমরা অভ্যস্ত সেটার বাইরে আরো নতুন কোন ইতিহাস নিয়ে তথ্য দেয়াই শ্রীপান্থের লেখা।
লেখক কলকাতাকেই কেন আজব নগরী বললেন,তা এই বইয়ের প্রতিটি পাতায় অনবদ্যভাবে উল্লেখ করেছেন।তখনকার কলকাতা শহরের একদম প্রাথমিক অবস্থা কেমন ছিল? তখনকার বিস্ময়কর কাহিনীগুলো, ছোট ছোট অংশে খুব সুন্দরভাবে লেখক তার নিজস্ব স্টাইলে লিখেছেন। আমরা অনেকেই ইতিহাস পড়ে জেনেছি যে ১৬৯০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এজেন্ট জব চার্নক এই কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা। কিন্তু ইতিহাসের আরও গভীরে গেলে জানা যায়, অন্তত ৬০ বছর আগে কলকাতার মাটিতে আরমানিয়ানদের বসতি ছিল। ইংরেজদের আমলে আজকের এই আলো-ঝলমলে নগরী ছিল অস্বাস্থ্যকর, দারিদ্রের অন্ধকার ও অসভ্যতার অন্ধকারে ঘেরা একটা নগরী।
"জাল,জুয়াচুরি, মিথ্যা কথা এই তিন নিয়ে কলকাতা"-তাই তো তখনকার নিষ্ঠাবান ব্রাক্ষণেরা এই শহর এড়িয়ে চলতেন। লেখক এখানে আর্মেনিয়ানদেরকে কলকাতার পিতামহ বলেছেন,কারণ জানা যায় কলকাতার সবথেকে প্রাচীন গীর্জাটাই হচ্ছে আরমানি গীর্জা।
আজব নগরীর একেকটা রাস্তার নামও বার বার বদল হতো। নামগুলো সুন্দর হলেও তার পেছনের ইতিহাস ছিল ভয়ংকর। ফ্যান্সি লেনের রাস্তার পাশের সুন্দর বড় গাছ ছিল কত শত ফাঁসির সাক্ষী। হ্যাঁ, এই গাছগুলোতেই হতো ফাঁসি। তখনকার কলকাতায় বইচার হতো কোম্পানির কায়দায়, আর তাদের কানুনও ছিল আজব।
এই আজব নগরীর, দাস সমাজের প্রথম মুক্ত পুরুষ ছিল ইন্দে। তখন কলকাতায় আলু পটলের মত মানুষ কেনা-বেচা হতো। দাম ২০টাকা থেকে ৭০টাকা। কেউ বিক্রি হতো ক্ষেতের কাজে তো কেউ গৃহস্থালির কাজে। অমানুষিক অত্যাচারও হতো তাদের উপর। ১৭৮০ সালের কোন একদিন ডানকেন সাহেবের কুঠি থেকে ইন্দে নামের দাসটি পালিয়ে গিয়ে কলকাতা থেকে দাস কলংক মুছে দিয়ে গেছে।
হুক্কা ও এক্কার জায়গা ছিল এই কলকাতা। তখনকার কলকাতায় ইউরোপিয়ানদের ঘরে ঘরে ছিল পালকি। যার যেমন ঘর, তার তেমন পালকি,তার তেমন বেহারা। তাই বলে বেহারাদের রোজগার খুব একটা ভালো ছিল না। তারা কি এই নুন্যতম রোজগার নিয়ে দিন অতিবাহিত করতে পারতো? ইতিহাস তা বলে না।
আসলে এই ছোট বই নিয়ে লিখতে হলে অনেক অনেক কিছুই লিখতে ইচ্ছে করবে। আমি এই ধরনের বই অনেক সময় নিয়ে পড়ি। আমার নিজের কলকাতা নিয়ে বই খুব একটা পড়া হয় নাই। তবে শ্রীপান্থের এই বইতে অনেক অজানা ব্যাপার জানা যাবে।কলকাতা আসলেই আজব নগরী।
April 18, 2022
একে ঠিক ইতিহাসের বই বলা গেলনা কোনভাবে। বরং উপনিবেশ আমলের কলকাতার নানাধরণের গল্প লেখক নিজস্ব ছন্দে লিখেছেন। অবশ্য ভূমিকাতে এসব নিদেই স্বীকার করে নিয়েছেন।
পুরোটাই যে সুখপাঠ্য ছিল এমনটা বলবনা। নানা রকম গল্প আছে নানা শিরেনামে। তার কোনটা মাঝে মাঝে ঠিক কেন লিখেছেন প্রথমে ঠাহর করা খুব কষ্টকর। তবে একেবারেই যে কিছু গল্প ভাল লাগেনি তাও নয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে রাইটারের গল্প উল্লেখ করতেই হয়। মজার ব্যাপার হল এটা না পড়লে আমার নিজেরি জানা হত না সরকারি অফিসে আপার ডিভিশন আর লোয়ার জিভিশন কিভাবে এসেছে। আর এই ডেসপাস রাইটার কেন শুরু হয়েছিল সেটাও জানা গেল। এটাই আনন্দ। ইন্দের স্মরণে গল্পটা হৃদয় ছুঁয়ে যাবে সেকথা নিশ্চিত করে বলা যায়। মূর্তি চের গল্পটিকেও রাখতে হল।
সেকালে কলকাতার অনেক কিছু জানা গেল এলোমেলোভাবে। এই তো!
পুরোটাই যে সুখপাঠ্য ছিল এমনটা বলবনা। নানা রকম গল্প আছে নানা শিরেনামে। তার কোনটা মাঝে মাঝে ঠিক কেন লিখেছেন প্রথমে ঠাহর করা খুব কষ্টকর। তবে একেবারেই যে কিছু গল্প ভাল লাগেনি তাও নয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে রাইটারের গল্প উল্লেখ করতেই হয়। মজার ব্যাপার হল এটা না পড়লে আমার নিজেরি জানা হত না সরকারি অফিসে আপার ডিভিশন আর লোয়ার জিভিশন কিভাবে এসেছে। আর এই ডেসপাস রাইটার কেন শুরু হয়েছিল সেটাও জানা গেল। এটাই আনন্দ। ইন্দের স্মরণে গল্পটা হৃদয় ছুঁয়ে যাবে সেকথা নিশ্চিত করে বলা যায়। মূর্তি চের গল্পটিকেও রাখতে হল।
সেকালে কলকাতার অনেক কিছু জানা গেল এলোমেলোভাবে। এই তো!
August 8, 2022
একে ঠিক ইতিহাসের বই বলা গেলনা কোনভাবে। বরং উপনিবেশ আমলের কলকাতার নানাধরণের গল্প লেখক নিজস্ব ছন্দে লিখেছেন। অবশ্য ভূমিকাতে এসব নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন।
পুরোটাই যে সুখপাঠ্য ছিল এমনটা বলবনা। নানা রকম গল্প আছে নানা শিরেনামে। তার কোনটা মাঝে মাঝে ঠিক কেন লিখেছেন প্রথমে ঠাহর করা খুব কষ্টকর। তবে একেবারেই যে কিছু গল্প ভাল লাগেনি তাও নয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে রাইটারের গল্প উল্লেখ করতেই হয়। মজার ব্যাপার হল এটা না পড়লে আমার নিজেরি জানা হত না সরকারি অফিসে আপার ডিভিশন আর লোয়ার জিভিশন কিভাবে এসেছে। আর এই ডেসপাস রাইটার কেন শুরু হয়েছিল সেটাও জানা গেল। এটাই আনন্দ। ইন্দের স্মরণে গল্পটা হৃদয় ছুঁয়ে যাবে সেকথা নিশ্চিত করে বলা যায়। মূর্তি চোর গল্পটিকেও রাখতে হল।
সেকালে কলকাতার অনেক কিছু জানা গেল এলোমেলোভাবে।
পুরোটাই যে সুখপাঠ্য ছিল এমনটা বলবনা। নানা রকম গল্প আছে নানা শিরেনামে। তার কোনটা মাঝে মাঝে ঠিক কেন লিখেছেন প্রথমে ঠাহর করা খুব কষ্টকর। তবে একেবারেই যে কিছু গল্প ভাল লাগেনি তাও নয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে রাইটারের গল্প উল্লেখ করতেই হয়। মজার ব্যাপার হল এটা না পড়লে আমার নিজেরি জানা হত না সরকারি অফিসে আপার ডিভিশন আর লোয়ার জিভিশন কিভাবে এসেছে। আর এই ডেসপাস রাইটার কেন শুরু হয়েছিল সেটাও জানা গেল। এটাই আনন্দ। ইন্দের স্মরণে গল্পটা হৃদয় ছুঁয়ে যাবে সেকথা নিশ্চিত করে বলা যায়। মূর্তি চোর গল্পটিকেও রাখতে হল।
সেকালে কলকাতার অনেক কিছু জানা গেল এলোমেলোভাবে।
October 1, 2022
বাঙ্গালমুল্কে জন্মে কোলকাতার প্রতি সামান্যতম আগ্রহবোধ জন্মাবে না এমন বাঙালী পাওয়া দুষ্কর বৈকি। বিশেষ করে সাহিত্য আর কলোনিয়াল পিরিয়ডের ইতিহাসের ব্যাপারে আগ্রহী যারা তাদের কোলকাতা না টেনে পারে না। আমি তাদের একজন।
বাংলাদেশ গর্ভে ধারণ করেছে একে। নিজ রক্ত দিয়ে তিল তিল করে পুষ্টিসাধন করেছে শিশু শহরের
বইতে কোলকাতার তাদের গল্প, সে সব ঘটনার গল্প উঠে এসেছে যা সাধারণত চর্চিত হয় না। ইতিহাসে সাধারণেরা সাধারণত অনুল্লিখিতই থেকে যায়। লেখক অনুল্লিখিত বাঁচিয়ে তোলার, আমাদের সামনে তুলে ধরার একটা প্রয়াস চালিয়েছেন।
শ্রীপান্থের লেখনি পাঠকের আকর্ষণ ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট। লেখনির ফ্যান বনে গেছি।
বাংলাদেশ গর্ভে ধারণ করেছে একে। নিজ রক্ত দিয়ে তিল তিল করে পুষ্টিসাধন করেছে শিশু শহরের
বইতে কোলকাতার তাদের গল্প, সে সব ঘটনার গল্প উঠে এসেছে যা সাধারণত চর্চিত হয় না। ইতিহাসে সাধারণেরা সাধারণত অনুল্লিখিতই থেকে যায়। লেখক অনুল্লিখিত বাঁচিয়ে তোলার, আমাদের সামনে তুলে ধরার একটা প্রয়াস চালিয়েছেন।
শ্রীপান্থের লেখনি পাঠকের আকর্ষণ ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট। লেখনির ফ্যান বনে গেছি।
May 26, 2025
বইটা পড়ে অনেক অজানা কথা জানলাম কলকাতা সমন্ধে।
যদিও সেই সময় পড়েও জেনেছিলাম কিছু কিছু, তবে দুটি বইয়ের জনরা আলাদা তাই দুই বই-ই তার নিজের জায়গায় সেরা।
যদিও সেই সময় পড়েও জেনেছিলাম কিছু কিছু, তবে দুটি বইয়ের জনরা আলাদা তাই দুই বই-ই তার নিজের জায়গায় সেরা।
July 2, 2026
কিছু গল্প ইতিহাসের পাতায় লিখিত নয় কিন্তু ইতিহাস সেসব গল্প নিয়েই আজব নগরী। সময় বয়ে যায়, আজব নগরীর কিস্যা ফুরোয় না।
Displaying 1 - 10 of 10 reviews










