What do you think?


টুকি ও ঝায়ের (প্রায়) দুঃসাহসিক অভিযান
91 pages, Hardcover
First published February 1, 1997
About the author
Muhammed Zafar Iqbal
399 books1,632 followersমুহম্মদ জাফর ইকবাল (Bengali)
Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.
Birth and Family Background:
Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.
Education:
Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.
Personal Life:
Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.
Academic Career:
After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.
Literary career:
Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.
Other Activities and Awards:
Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.
Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.
Birth and Family Background:
Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.
Education:
Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.
Personal Life:
Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.
Academic Career:
After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.
Literary career:
Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.
Other Activities and Awards:
Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 55 reviews
December 11, 2012
গণিত নিয়ে লেখা বইগুলো ছাড়া মুঃ জাফর ইকবালের প্রায় সবগুলো বই-ই অসংখ্যবার পড়েছি। এটা কীভাবে যেন বাদ পড়ে গিয়েছিলো। গতকাল সান্ধ্যভোজনকালে চরম হতাশার সঙ্গে সেরিনা পড়ছিলাম, কক্ষসঙ্গী বালিকা সাজেশন দিলো-- নূতন বই পড়ে মুড বিগড়ানোর দরকার কী, টুকি এবং ঝা'টা নামাও। নিজেই পাঠালো নামিয়ে।
বহু বহু বছর আগে বেগম রোকেয়া লিখেছিলেন সুলতানার স্বপ্ন।
ছেলেরা ঘরে থাকবে, ছানাপোনাদের ডায়াপার বদলাবে, ভাত-তরকারি রেঁধে সবার বাসন মেজে এঁটোকাটা খেয়ে বাঁচবে। সেটা স্বপ্ন ছিলো না আসলে, ছিলো শ্লেষ।
এখনো সেরকম শ্লেষাত্মক ভঙ্গিতেই ভেতো বাঙালিতে ভাবাতে হয়, ব্যাপারটা বেশ দুঃখজনক। কী আর করা।
কারণ এই ২০১৫তে দাঁড়িয়েও, দেখতে হয় ফেসবুকে 'ঐ ছেড়ি, তোর ওড়না গলায় না দিয়ে বুকে দে' পেইজে তথাকথিত ক্লীব শিক্ষিত পুরুষদের হাজারে-বিজারে লাইক পড়ে, ঢাবির এম্বিএ বন্ধুটি হবু স্ত্রী হিসাবে ঘরোয়া মেয়ে খোঁজেন, এখনো উচ্চশিক্ষারত মেয়েটিকে মনে করিয়ে দেওয়া হয় মেয়েমানুষের জীবনের প্রধান সাফল্য জামাই জোটানো, ডিগ্রি নয়। ক্যারিয়ারের খ্যাতা পুড়ুক, বয়স হয়ে যাচ্ছে তো..বাচ্চা নিয়ে নাও আগে।
পহেলা বৈশাখের যৌন সন্ত্রাস নিয়ে ফিচার করলে নারী সাংবাদিকটিকে হুমকি শুনতে হয়। এখনো!
ধন্যবাদ জাফর ইকবাল স্যার। অসংখ্য মেরুদণ্ডহীন, নপুংসক বুদ্ধিজীবিদের ভিড়ে এক আপনিই মাঝেমাঝে এরকম রূঢ় সত্যগুলো বলে ফেলেন বলে দেশটার ওপর এখনো আমরা সব আশা হারিয়ে ফেলিনি।
:: তোমরা শুধু ঘর-সংসার করো?'
টাইরার স্বামী অবাক হয়ে বললো, আর কী করব? একজন পুরুষ মানুষ যদি তার স্ত্রীকে খুশি রাখতে পারে, তাহলে তার জীবনে আর কী চাইবার আছে? সারাদিন পরিশ্রমের পর স্ত্রী ঘরে এলে তার জন্যে রান্না করে খাবার দেওয়া, পোশাক ধুয়ে রাখা, বাচ্চা মানুষ করা..
:: আমি আর বাইরে যাবো না বাবা, কখনো বাইরে যাবো না।'শেষাংশের এইরকম কিছু অংশ বাঁধিয়ে রাখার মতো।
আবার বুঝি পাড়ার বখা মেয়েরা?
হ্যাঁ। আমাকে দেখে শিষ দিয়ে এতো খারাপ খারাপ কথা বলেছে.. তরুণটি হঠাৎ হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলো।
বহু বহু বছর আগে বেগম রোকেয়া লিখেছিলেন সুলতানার স্বপ্ন।
ছেলেরা ঘরে থাকবে, ছানাপোনাদের ডায়াপার বদলাবে, ভাত-তরকারি রেঁধে সবার বাসন মেজে এঁটোকাটা খেয়ে বাঁচবে। সেটা স্বপ্ন ছিলো না আসলে, ছিলো শ্লেষ।
এখনো সেরকম শ্লেষাত্মক ভঙ্গিতেই ভেতো বাঙালিতে ভাবাতে হয়, ব্যাপারটা বেশ দুঃখজনক। কী আর করা।
কারণ এই ২০১৫তে দাঁড়িয়েও, দেখতে হয় ফেসবুকে 'ঐ ছেড়ি, তোর ওড়না গলায় না দিয়ে বুকে দে' পেইজে তথাকথিত ক্লীব শিক্ষিত পুরুষদের হাজারে-বিজারে লাইক পড়ে, ঢাবির এম্বিএ বন্ধুটি হবু স্ত্রী হিসাবে ঘরোয়া মেয়ে খোঁজেন, এখনো উচ্চশিক্ষারত মেয়েটিকে মনে করিয়ে দেওয়া হয় মেয়েমানুষের জীবনের প্রধান সাফল্য জামাই জোটানো, ডিগ্রি নয়। ক্যারিয়ারের খ্যাতা পুড়ুক, বয়স হয়ে যাচ্ছে তো..বাচ্চা নিয়ে নাও আগে।
পহেলা বৈশাখের যৌন সন্ত্রাস নিয়ে ফিচার করলে নারী সাংবাদিকটিকে হুমকি শুনতে হয়। এখনো!
ধন্যবাদ জাফর ইকবাল স্যার। অসংখ্য মেরুদণ্ডহীন, নপুংসক বুদ্ধিজীবিদের ভিড়ে এক আপনিই মাঝেমাঝে এরকম রূঢ় সত্যগুলো বলে ফেলেন বলে দেশটার ওপর এখনো আমরা সব আশা হারিয়ে ফেলিনি।
June 6, 2018
টুকি এবং ঝা, ডিপ্লোমাধারী পেশাদার চোর, চোরের বিশেষ কলেজ থেকে পাস করা চোর। ইন্টার গ্যালাক্টিক বুলেটিন বোর্ডের খুব পরিচিত ব্যক্তি তারা। পুলিশ সব সময় তাদের হন্যে হয়ে খোঁঁজাখুঁজি করলেও তারা পুলিশের থেকে এক ধাপ এগিয়ে থেকে নিজেদের সবসময় রক্ষা করে চলেছে। টুকি এবং ঝা দুইজনকে মিলিয়ে মোটামুটিভাবে একজন পুরো মানুষ তৈরী করা যায়। টুকি শুকনো কাঠির মত, মেদ-চর্বিহীন।
অন্যদিকে ঝা দেখতে ছোটখাট পাহাড়ের মতন। সে টুকির মেদ চর্বি নিজের শরীরে নিয়ে নিয়েছে। এমনকি গোঁফ, বুদ্ধি শুদ্ধির ব্যাপারগুলোও দুইজনের মাঝে ঠিক করে ভাগাভাগি করা হয় নি, দুটোই ঝায়ের বেশ কম পড়েছে আর সেটুকু টুকি সুন্দরভাবে পুষিয়ে নিয়েছে। শৈশবে টুকি ও ঝা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের প্লুটোনিয়াম বা প্রতিরক্ষা দফতরের সফটওয়্যার চুরি করে হাত পাকিয়েছে। যৌবনে আন্তঃগ্যালাক্টিক সন্ত্রাসী দলের জন্য পারমাণবিক বোমা চুরি করেছে। এখন দুই জনই মধ্যবয়স্ক। ইদানিং মূল্যবান রত্নের দিকে তাদের বেশি ঝোঁক। এবার তারা ঠিক করলো একটা বড় ধরনের চুরি করে চুরি ছেড়ে দিয়ে বাকি জীবন মঙ্গল গ্রহে কাটিয়ে দিবে। তাই তারা পরিকল্পনা করে হীরা চুরি করার। যেই পরিকল্পনা সেই কাজ। কিন্তু ২৯৪ তলা বিল্ডিং-এ ১৮২ তলায় চুরি করতে গিয়ে পালানোর সময় হঠাৎ ঝায়ের বাথরুম পেয়ে যায়। ঝা হন্যে হয়ে বাথরুমের খোঁজ শুরু করে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। পালাতে পালাতে তারা একটি ছোটখাটো জঙ্গলে এসে পড়ে। হঠাৎ সেখানে অদ্ভুত এক বাড়ি দেখতে পায় তারা। বাঁচার জন্য বাড়ির ভেতর ঢুকে তারা ভেতরের মানুষদের বাইরে ফেলে দেয়। তার পর হঠাৎ কাপতে থাকে বাড়িটা। আর তারা বুঝতে পারে যে এটা আসলে বাড়ি না, একটা মহাকাশযান!!!!!
মহাকাশযান চালু হয়ে গেছে। মহাকাশযানে টুকি ঝা আটকা পড়ে যায়। তাদের সাহায্য করার জন্য ছিলো রোবট রোবি। এরপর শুরু হয় তাদের দুঃসাহসিক অভিযান। প্রথমে এম সেভেন্টি ওয়ান এর মতো দুধর্ষ সন্ত্রাসী গ্রহ তারপর রোবটদের উপগ্রহ যেখানে তারা রোবটদের হাসাহাসি শেখায়। এরপর অন্য একটি গ্রহ যেখানে পুরুষরা পর্দা করে চলে আর নারীরা বাহিরে কাজ করে। এরপর আরেকটা গ্রহ। এভাবেই চলতে থাকে তাদের অভিযান। কিন্তু তারা ফিরে আসতে চায় তাদের গ্রহে! পৃথিবীতে!! তারা কি পারবে ফিরে আসতে? নাকি আরো বড় কোনো বিপদ তাদের জন্য অপেক্ষা করছে?
ব্যক্তিগত মতামতঃ জাফর ইকবাল স্যারের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী গুলো আমার সবসময়ই খুব ভালো লাগে। কিন্তু এবার তার একটা ব্যতিক্রমী গল্প পড়ে তার লেখার আরো ভক্ত হয়ে গেছি। অসাধারণ ছিলো গল্পটা। সেই সাথে অনেক মজার এবং হাসির। ছিলো প্রত্যেকটা গ্রহের আলাদা আলাদা মজার ঘটনা। অনেক সুন্দর একটা বই। পড়ে খুব ভালো লাগছে।
অন্যদিকে ঝা দেখতে ছোটখাট পাহাড়ের মতন। সে টুকির মেদ চর্বি নিজের শরীরে নিয়ে নিয়েছে। এমনকি গোঁফ, বুদ্ধি শুদ্ধির ব্যাপারগুলোও দুইজনের মাঝে ঠিক করে ভাগাভাগি করা হয় নি, দুটোই ঝায়ের বেশ কম পড়েছে আর সেটুকু টুকি সুন্দরভাবে পুষিয়ে নিয়েছে। শৈশবে টুকি ও ঝা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের প্লুটোনিয়াম বা প্রতিরক্ষা দফতরের সফটওয়্যার চুরি করে হাত পাকিয়েছে। যৌবনে আন্তঃগ্যালাক্টিক সন্ত্রাসী দলের জন্য পারমাণবিক বোমা চুরি করেছে। এখন দুই জনই মধ্যবয়স্ক। ইদানিং মূল্যবান রত্নের দিকে তাদের বেশি ঝোঁক। এবার তারা ঠিক করলো একটা বড় ধরনের চুরি করে চুরি ছেড়ে দিয়ে বাকি জীবন মঙ্গল গ্রহে কাটিয়ে দিবে। তাই তারা পরিকল্পনা করে হীরা চুরি করার। যেই পরিকল্পনা সেই কাজ। কিন্তু ২৯৪ তলা বিল্ডিং-এ ১৮২ তলায় চুরি করতে গিয়ে পালানোর সময় হঠাৎ ঝায়ের বাথরুম পেয়ে যায়। ঝা হন্যে হয়ে বাথরুমের খোঁজ শুরু করে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। পালাতে পালাতে তারা একটি ছোটখাটো জঙ্গলে এসে পড়ে। হঠাৎ সেখানে অদ্ভুত এক বাড়ি দেখতে পায় তারা। বাঁচার জন্য বাড়ির ভেতর ঢুকে তারা ভেতরের মানুষদের বাইরে ফেলে দেয়। তার পর হঠাৎ কাপতে থাকে বাড়িটা। আর তারা বুঝতে পারে যে এটা আসলে বাড়ি না, একটা মহাকাশযান!!!!!
মহাকাশযান চালু হয়ে গেছে। মহাকাশযানে টুকি ঝা আটকা পড়ে যায়। তাদের সাহায্য করার জন্য ছিলো রোবট রোবি। এরপর শুরু হয় তাদের দুঃসাহসিক অভিযান। প্রথমে এম সেভেন্টি ওয়ান এর মতো দুধর্ষ সন্ত্রাসী গ্রহ তারপর রোবটদের উপগ্রহ যেখানে তারা রোবটদের হাসাহাসি শেখায়। এরপর অন্য একটি গ্রহ যেখানে পুরুষরা পর্দা করে চলে আর নারীরা বাহিরে কাজ করে। এরপর আরেকটা গ্রহ। এভাবেই চলতে থাকে তাদের অভিযান। কিন্তু তারা ফিরে আসতে চায় তাদের গ্রহে! পৃথিবীতে!! তারা কি পারবে ফিরে আসতে? নাকি আরো বড় কোনো বিপদ তাদের জন্য অপেক্ষা করছে?
ব্যক্তিগত মতামতঃ জাফর ইকবাল স্যারের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী গুলো আমার সবসময়ই খুব ভালো লাগে। কিন্তু এবার তার একটা ব্যতিক্রমী গল্প পড়ে তার লেখার আরো ভক্ত হয়ে গেছি। অসাধারণ ছিলো গল্পটা। সেই সাথে অনেক মজার এবং হাসির। ছিলো প্রত্যেকটা গ্রহের আলাদা আলাদা মজার ঘটনা। অনেক সুন্দর একটা বই। পড়ে খুব ভালো লাগছে।
March 18, 2022
কৈশোরে ক্যান পড়ি নাই এটা ভেবে আফসোস হচ্ছে। জাফর ইকবালের হিউমার প্রশংসনীয়। ওয়ার্ল্ড সেটিংয়ে আমি কিছুটা ' রিক এন্ড মর্টি ' ভাইব পাইছি। সাই-ফাইয়ে এমন কমেডি একমাত্র জাফর ইকবালের পক্ষেই সম্ভব। আমার কাছে ভালো লাগলেও হয়তো ব্যক্তিগত মানসিক পরিস্থিতির কারনে খুব বেশি এনজয় করতে পারি নাই।আরেকটা কারন এটা হতে পারে যে কাছাকাছি ধরণের গল্প পড়া বা দেখা অনেক হয়েছে। মন খারাপের টনিক হতে পারে ইহা।
January 2, 2015
বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় গরমাগরম তেলেভাজা, হাড়-কাঁপানো শীতে পিঠে রোদ্দুর নিয়ে বসা, বা ভ্যাপসা গরমে চাঁপার গন্ধ মেশানো এক ঝলক বাতাস: এসবের যেমন কোন তুলনা হয়না, আলোচ্য বইটিরও তেমন ঠিক রিভিউ হয়না। আমি এটা পড়ে মুচকি মুচকি হেসেছি, হো-হো করেও হেসেছি, আবার মাঝেমধ্যে (বিশেষত গল্পের শেষে এসে) অনেক কিছু ভেবেওছি। এই লেখকের লেখা আমি আগে কখনও পড়িনি। আজ বুঝলাম যে এ এক মারাত্মক গাফিলতি, যা সংশোধন না করলে এক বিপুল সাহিত্যসম্ভার আমার অপঠিত থেকে যাবে। এখন থেকে এই লেখকের লেখা খুঁজে বের করা, এবং পড়া, আমার কাছে অগ্রাধিকার পাবে।
April 22, 2020
আমার পরিচিত অনেকেই রেকমেন্ড করেছিল।ওদের বেশ পছন্দ হলেও আমার তেমন একটা ভালো লাগেনি। ঠাকুমার ঝুলিতে এরকম গল্প পড়া হয়েছে কিংবা আমি বেরসিক বলেই হয়ত তেমন আগ্রহ পাইনি
July 24, 2021
#feel_good_chill_mood_book
তুই গ্ৰ্যাজুয়েশ শেষের পথে একটা মেয়ে,আসন্ন
তা না করে হা হা হি হি হো হো করে কখনো মিচকি কখনো ফিচেল হাসি হেসে সময়ের হিসেব নিকেষ শিকেয় তুলে টুকি ও ঝায়ের সাথে ঝোঁকের বশে দুড়ুম দাড়ুম গ্ৰহান্তরের ঘূর্ণিপাকে নাটাই ছাড়া ঘুড়ির মতো ঘুরবি কেন পড়ার মতো পড়াশোনা পন্ড করে?!
(একটি ফেবুকীয় ট্রেন্ডানুসারে মাথামুন্ডু বিহীন রিভিউ 😪,তবে ইহা নিয়ে শতকরা শতভাগ আনন্দের সাথে এহেন গল্প নিয়ে আন্ডাবাচ্চাদের জন্য যে কেন কোনো সিরিজ এখনো এদেশে হয় না তা আমার ভাবনাগুলোকে বিষন্ন করে ফেলে:-( )
রেটিং :⭐🌟🌠💥
২৪/০৭/২১
তুই গ্ৰ্যাজুয়েশ শেষের পথে একটা মেয়ে,আসন্ন
পরীক্ষা প্র্যাঙ্ক সিজন ওয়ান এপিসোড ফাইভউপলক্ষে নাওয়া খাওয়া খোঁয়াড়ে দিয়ে নিজের খোপে খুব মন দিয়ে বিরস বদনে বিস্বাদ বই পুস্তক পড়বি।
তা না করে হা হা হি হি হো হো করে কখনো মিচকি কখনো ফিচেল হাসি হেসে সময়ের হিসেব নিকেষ শিকেয় তুলে টুকি ও ঝায়ের সাথে ঝোঁকের বশে দুড়ুম দাড়ুম গ্ৰহান্তরের ঘূর্ণিপাকে নাটাই ছাড়া ঘুড়ির মতো ঘুরবি কেন পড়ার মতো পড়াশোনা পন্ড করে?!
(একটি ফেবুকীয় ট্রেন্ডানুসারে মাথামুন্ডু বিহীন রিভিউ 😪,তবে ইহা নিয়ে শতকরা শতভাগ আনন্দের সাথে এহেন গল্প নিয়ে আন্ডাবাচ্চাদের জন্য যে কেন কোনো সিরিজ এখনো এদেশে হয় না তা আমার ভাবনাগুলোকে বিষন্ন করে ফেলে:-( )
রেটিং :⭐🌟🌠💥
২৪/০৭/২১
June 15, 2014
প্রচন্ড হিউম্যারাস একটা সায়েন্স ফিকশন। পড়তে পড়তে হাসতে হাসতে চোখে পানি না আসলে বুঝবেন আপনি লোকটা বেরসিক। জাফর ইকবাল অসাধারণ একজন লেখক। এ বইটা আমার পড়া একটা গোল্ডমাইন। বাচ্চাদের হাতে এমন বই তুলে দিলে তার বই পড়ার অভ্যাস হওয়া বাধ্য।
March 29, 2018
কিছুটা রম্য ধাঁচের সায়েন্স ফিকশন।
একাধিকবার পড়া বই, এবং কৈশোরের সেই অদ্ভুত সময়ে বেশ আনন্দ নিয়েই পড়েছি এটা।
টুকি এবং ঝা নামে ভবঘুরে দুই তরুণ চুরির মিশনে বের হয়েছিল এক রাতে, ঘটনাচক্রে সেখান থেকে তাদের গন্তব্য হয় অজানা মহাশূন্যে।
গল্পের শুরু এভাবেই। এবং টুকি এবং ঝাঁ সেই মহাকাশযানে করে একেক গ্রহে নেমে একেক অদ্ভুত ঘটনার সম্মুখীন হয়, কখনো বিপদের মুখেও পড়ে। কিন্তু বেশ মজাদার উপায়েই তারা মোকাবেলা করে সেসবের। কখনো আবার পরিত্রাণ পায় নিতান্তই ভাগ্যচক্রে।
হালকা ঘরানার লেখা, এক-দুই বসায় পড়ে ফেলার মত। সময় কাটানোর জন্য বেশ উপভোগ্য কিশোর-সায়েন্স ফিকশন বলা চলে।
একাধিকবার পড়া বই, এবং কৈশোরের সেই অদ্ভুত সময়ে বেশ আনন্দ নিয়েই পড়েছি এটা।
টুকি এবং ঝা নামে ভবঘুরে দুই তরুণ চুরির মিশনে বের হয়েছিল এক রাতে, ঘটনাচক্রে সেখান থেকে তাদের গন্তব্য হয় অজানা মহাশূন্যে।
গল্পের শুরু এভাবেই। এবং টুকি এবং ঝাঁ সেই মহাকাশযানে করে একেক গ্রহে নেমে একেক অদ্ভুত ঘটনার সম্মুখীন হয়, কখনো বিপদের মুখেও পড়ে। কিন্তু বেশ মজাদার উপায়েই তারা মোকাবেলা করে সেসবের। কখনো আবার পরিত্রাণ পায় নিতান্তই ভাগ্যচক্রে।
হালকা ঘরানার লেখা, এক-দুই বসায় পড়ে ফেলার মত। সময় কাটানোর জন্য বেশ উপভোগ্য কিশোর-সায়েন্স ফিকশন বলা চলে।
May 26, 2024
ভালো লাগছে। কমেডি ও এডভেঞ্চার হিসেবে দারুণ ছিলো। শেষটাও চমৎকার। কেও চাইলে দুবার শুরু করতে পারে।
April 20, 2016
ছোটবেলায় পড়া সবচেয়ে মজার সায়েন্স-ফিকশন। তখন মনে হইছিল এই বইটা নিয়া হলিউডে একটা এনিমেশন মুভি হলে ফাটাফাটি হইব। কিন্তু এখন আমার ধারণা এই বইটার কাহিনি ১৯৯৬ সালের হলিউড মুভি Bio-Dome থেইকা 'অনুপ্রাণিত'।
July 16, 2025
স্যারের লেখার মধ্যে এই বইয়ে একটু নতুনত্ব পেলাম.. ভিন্ন ভিন্ন রকমের ছোট গল্প না লিখে একটা কাহিনিকেই ভিন্ন ভিন্ন প্লটে নিয়ে গেছেন... যার মধ্যে কয়েকটা গল্পের প্লট আসলেই মজার ছিল... শেষটাও করেছেন একটা লুপ রেখে.. যা সত্যিই আমাকে অবাক করেছে...
October 23, 2018
শেষটা ভালোই ছিল, হা! হা! হা!
January 7, 2022
জাফর ইকবাল এবং হূমায়ন আহম্মেদ। এনাদের দুই ভাইয়ের ই সেন্স অফ হিউমার টপ নচ লেভেলের। তারই প্রমাণ এই সায়েন্স ফিকশন টি।
February 12, 2017
যদি নেগেটিভ রিভিউ করা যেত, তাহলে মাইনাসই দিতাম। :-(
June 21, 2013
A book full of surprises and twist and turns. Superb humor, hilarious characters and amazing storytelling, this book should be able to win your heart by the time you get to the third page! Also, I am not the only one who read the last page and jumped to the first page and read it again. Trust me, I asked many others if did that and the answer was "Oh Yes!! Did you too?"
August 29, 2016
too good !
June 25, 2021
টুকি এবং ঝা, ডিপ্লোমাধারী পেশাদার চোর।ইন্টার গ্যালাক্টিক বুলেটিন বোর্ডের খুব পরিচিত ব্যক্তি তারা। টুকি এবং ঝা দুইজনকে মিলিয়ে মোটামুটিভাবে একজন পুরো মানুষ তৈরী করা যায়। টুকি শুকনো কাঠির মত, মেদ-চর্বিহীন। অন্যদিকে ঝা দেখতে ছোটখাট পাহাড়ের মতন।শৈশবে টুকি ও ঝা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের প্লুটোনিয়াম বা প্রতিরক্ষা দফতরের সফটওয়্যার চুরি করে হাত পাকিয়েছে। যৌবনে আন্তঃগ্যালাক্টিক সন্ত্রাসী দলের জন্য পারমাণবিক বোমা চুরি করেছে। এখন দুই জনই মধ্যবয়স্ক।একদিন তারা হীরা চুরির পরিকল্পনায় ২৯৪ তলা বিল্ডিং-এ ১৮২ তলায় চুরি করতে যায় পরবর্তীতে পালানোর জন্য ঢুকে অদ্ভুত এক বাড়িতে দেয়। তার পর হঠাৎ কাপতে থাকে বাড়িটা।তারা বুঝতে পারে এটা মহাকাশযান।সেখানে তাদের সাহায্য করার জন্য ছিলো রোবট রোবি।শুরু হয় তাদের দুঃসাহসিক অভিযান। প্রথমে এম সেভেন্টি ওয়ান এর মতো দুধর্ষ সন্ত্রাসী গ্রহ তারপর রোবটদের উপগ্রহ যেখানে তারা রোবটদের হাসাহাসি শেখায়। এরপর অন্য একটি গ্রহ যেখানে পুরুষরা পর্দা করে চলে আর নারীরা বাহিরে কাজ করে। এরপর আরেকটা গ্রহ। এভাবেই চলতে থাকে তাদের অভিযান। কিন্তু তারা ফিরে আসতে চায় তাদের গ্রহে শেষপর্যন্ত হাইপার ড্রাইভ দিয়ে ফিরে আসে।প্রথমে ভাবে তারা অবাস্তব জগতে চলে এসেছে কিন্তু দেখা যায় তারা সময়ের কিছুটা সামনে চলে এসে ঠিক সেই বাড়ির কাছে যেখানে গল্পটা শুরু হয়েছিলো।
এই সাইন্স ফিকশনটি কেবল বৈজ্ঞানিক যুক্তিতেই সীমাবদ্ধ ছিলো না বেশ রস-কস ও ছিলো।
এই সাইন্স ফিকশনটি কেবল বৈজ্ঞানিক যুক্তিতেই সীমাবদ্ধ ছিলো না বেশ রস-কস ও ছিলো।
April 3, 2022
এটাও আগে, অনেক আগে পড়া। কত আগে, কবে, মনে নাই। ক্লাস ৪-৬ হইতে পারে, তার মানে ১৮-২০ বছর আগে। তখন খুব ভালো আর খুব ফানি লাগসিলো মনে পরে। এখনও ফানি লাগসে অনেক জায়গায়, অনেক ফানি প্রথম দিকের কিছু কিছু জায়গায়, আর সব মিলায়ে ভালোই লাগসে মোটামোটি। এটার শেষ যে একটা লুপের মতো এটা মনে ছিলো না। ভালোই। মোটামোটি ইন্টারেস্টিং। কিন্তু শেষ টা অনেক, প্রচন্ড ভালো, এরকম না। শেষের দিকেই এতো ভালো না। আবার খুব খারাপও না একদম। সব মিলায়ে ভালো, আগে যেরকম বললাম।
আর পাব্লিকেশন কোয়ালিটির দিক থেকে, - এটাতে বানান ভুল অনেক কম, কিন্তু গ্রামাটিকাল, পাঙ্কচুয়েশনের অনেক ভুল দেখলাম। তার মানে এটার কপি-এডিটিং খুবই খারাপ। এতো, এতো, এতো, সংস্করণ আর মুদ্রন হওয়ার পরেও। প্রকাশনী গুলা কপি এডিটার ভারা করার প্রয়োজন বোধ করে না। আর প্রতি কপিতে এই রকম লাভ রাখার পরেও। আর অন্য কারোরও খুব মাথাব্যথা নাই। বাংলাদেশ, কী করা যাবে :/
আর পাব্লিকেশন কোয়ালিটির দিক থেকে, - এটাতে বানান ভুল অনেক কম, কিন্তু গ্রামাটিকাল, পাঙ্কচুয়েশনের অনেক ভুল দেখলাম। তার মানে এটার কপি-এডিটিং খুবই খারাপ। এতো, এতো, এতো, সংস্করণ আর মুদ্রন হওয়ার পরেও। প্রকাশনী গুলা কপি এডিটার ভারা করার প্রয়োজন বোধ করে না। আর প্রতি কপিতে এই রকম লাভ রাখার পরেও। আর অন্য কারোরও খুব মাথাব্যথা নাই। বাংলাদেশ, কী করা যাবে :/
March 11, 2020
বাচ্চাদের গল্প।বাচ্ছাদের বলে আমি ৪ দিয়েছি।হাসি র গল্প।টুকি আর ঝা ভুল ক্রমে মহাকাশ যানে উঠে যায়।সেই মহাকাশে গন্তভ্য জানে না কোন দিকে তারা মহাকাশ চালাতেও জানে না।তার পর তাদের এই গন্তভ্যহীন অভিযানে অদ্ভূত সব ঘটনা ঘটে।যেমনটা সিন্দাবাদ গল্পে।তবে সে সেখানে জাহাজ নিয়ে বার বার বাহির হয়।আর এখানে এক মহাযান ভ্রমনে সব কাজ শেষ করে পেলে।তবে অনেক কিছুই আমার কাছে হাস্যকর লেগেছে।যেমন একটা গোপন মিশনে এক মহাকাশ উড়াবে সেটার আশেপাশে নিরাপত্তা থাকবে না এই রকম হাস্যকর 😂😂😂😂বিষয় আর অনেক আছে এর মাঝে।যাই হোক।যারা সময় নষ্ট করতে চায় না তাদের এই গল্প পড়ার দরকারন নাই।যারা অবসর সময় বিনোদন নিতে চায় তাহলে পড়তে পারে গল্পটি।বিনোদন মাটি হবে না।আপনাকে হাসতে বাদ্যকরবে বইটি।গ্যারান্টি....!!!!
December 28, 2023
বাচ্চাকালে পড়া বই, হঠাৎ হাতের সামনে পেলাম৷ আকার বিবেচনায় এবং সেইসাথে আমার সময়ের অনুপাতে চ্যালেঞ্জের অবশিষ্ট অংশও সম্পন্ন করার অভিপ্রায় মিলিয়ে আবার পড়লাম।
ছোটবেলায় কেনো আমার জাফর ইকবাল স্যারের লেখা ভালো লাগতো, এটা পড়তে পড়তে আমার মনে পড়লো। যদিও এখন আর পড়া হয় না, উনার বেশকিছু চর্বিত চর্বন গোছের লেখা পড়ার পর উনার বর্তমান লেখকসত্তা নিয়ে উদ্বেগ জন্মানোও অস্বাভাবিক না।
যাইহোক, এই বইটা, বিশেষ করে কিশোর পাঠকদের জন্য একটা বেশ ভালো পাঠ্য হতে পারে।
হিউমারের প্রয়োগ, ওয়ার্ল্ড বিল্ডিং এবং টাইম লুপের ব্যাপারটা দেখানো, এসব মিলিয়ে ভালোই লেগেছে আবার পড়তে। যদিও, বয়সের দোষে আরেকটু ইন্টেন্স ব্যাপারস্যাপারের অভাবের কারণে রেটিংটা এমন দিতে হইলো।
ছোটবেলায় কেনো আমার জাফর ইকবাল স্যারের লেখা ভালো লাগতো, এটা পড়তে পড়তে আমার মনে পড়লো। যদিও এখন আর পড়া হয় না, উনার বেশকিছু চর্বিত চর্বন গোছের লেখা পড়ার পর উনার বর্তমান লেখকসত্তা নিয়ে উদ্বেগ জন্মানোও অস্বাভাবিক না।
যাইহোক, এই বইটা, বিশেষ করে কিশোর পাঠকদের জন্য একটা বেশ ভালো পাঠ্য হতে পারে।
হিউমারের প্রয়োগ, ওয়ার্ল্ড বিল্ডিং এবং টাইম লুপের ব্যাপারটা দেখানো, এসব মিলিয়ে ভালোই লেগেছে আবার পড়তে। যদিও, বয়সের দোষে আরেকটু ইন্টেন্স ব্যাপারস্যাপারের অভাবের কারণে রেটিংটা এমন দিতে হইলো।
This entire review has been hidden because of spoilers.
April 2, 2023
আমার লাইফের প্রথম পড়া জাফর ইকবাল স্যারের ভাই। এতো হাসির বই আমার লাইফে দ্বিতীয় কোন বই পড়ে হাসিনি।সম্ভবত ছোটকালে পড়েছিলাম বলে। টুকির অস্বাভাবিক কর্মকান্ডে সত্যি না হেসে পারবেন না।হাসতে হাসতে হিসু চলে আসবে,সাবধান!
October 24, 2019
শিশুসাহিত্য এর থেকে ভাল হতে পারে কি?
December 14, 2019
khub khub interesting................
March 3, 2020
Fun Humour science fiction.
March 19, 2020
জাফর স্যারের ভিন্টেজ একটা সায়েন্সের থেকে ফিকশানই বেশি ওয়ালা উপন্যাস।এক বসায় পড়ে ফেলার মতই।বরাবরের মতই উপভোগ্য।
March 30, 2020
brilliant. all the twists hit me out of nowhere, it made me laugh so much at just how ridiculous it was and how much fun he mustve had writing this.
June 26, 2020
বেশ ভাল একটি কল্পবিজ্ঞানের গল্প। দুটি চোর চুরি করে দুম করে একটি মহাকাশ যানে ঢুকে পড়ল আর দেখা হল রোবট রোবির সাথে। শুরু হল তিন জনের অভিযানের জমজমাট গল্প।
July 6, 2020
এ বইয়ের নাম শৈশবে একটার পর একটা লেখা এবং কিছুদিন পর ছিন্ন; আবার লেখা, আবার ছিন্ন–তেমন তালিকায় কতবার যে এ বইয়ের নাম লিখেছি হিসাব নাই।
May 10, 2021
"টুকি ও ঝা" কি কিউট নাম।আর রোবি, উফ..কি মজার ছিল।আর ও কাঁদলে নিশ্চয়ই অনেক কিউট লাগে।আর ওদের অভিযানের কথা তো বলারই নেই... বিশেষ করে গোবরের ব্যাপারটা..😃😄😁😆😅😂🤣
August 15, 2021
Time Loop এর ধারণা সম্ভবত এই বই থেকেই প্রথম পেয়েছিলাম। ভালো লাগার বই।
Displaying 1 - 30 of 55 reviews





























