Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life: Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career: Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life: In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death: In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
ঘেটুপুত্র কমলা সিনেমার স্যুটিং এর জন্য একটা পার্ফেক্ট লোকেশন খুঁজে বেড়াচ্ছেন হুমায়ূন আহমেদ। শুনলেন সিলেটের সুনামগঞ্জে মিলবে কাঙ্ক্ষিত লোকেশন। কাজেই দলবল নিয়ে চললেন পানি পথে, দেখলেন হাওরের ঝড়, সাক্ষাৎ পেলেন এক মুনশির যিনি জাদু দেখাতে পারেন। বোঝাই যাচ্ছে কাহিনীর কেন্দ্রবিন্দু তিনিই, যেহেতু বইয়ের নাম ম্যাজিক মুনশি। কিন্তু আমার কাছে মনে হল অন্যকিছু!
গতকাল ঝড়বৃষ্টির পর ঠান্ডা আবহাওয়ায় বিনা কাজে বসেছিলাম, (যদিও কাজের কোনো অভাব ছিল না🙄) গল্প কথন by কল্লোলের বদৌলতে শুনে ফেললাম। যাক গে! ইট ওয়াজ ওকে!
টিপিক্যাল হুমায়ূন! কথা দিয়ে পাঠকের মাথায় হেঁয়ালিপনা রোগ সৃষ্টি করাকে শৈল্পিক পর্যায় নিয়ে গেছেন। তবে বুদ্ধিমানদের জন্য নিজেই সূত্র রেখে দেন। যেমন এই গল্পেই তার আরেক উপন্যাস 'নলিনী বাবু B.Sc' সপর্কে তিনি বলেন,
"লেখকেরা বিশ্বাসোগ্যভাবে মিথ্যা গল্প লেখেন।"
গল্পে অপ্রাসঙ্গিক এক কথা মনে ধরেছে। নারীরা পড়ে ক্ষিপ্ত হতে পারেন, নাও হতে পারেন। হুমায়ূনের উপর যদি ক্ষিপ্ত না হন, আমার উপরও হবেন না আশা করি। হলেও ক্ষতি নাই। সত্য শুনতে তেতো, তখনই চেহারা তিক্ত, চেনা যায় ভালো।
"নাটকে অভিনয় করার তীব্র আগ্রহ আমি মেয়েদের মধ্যেই বেশি দেখেছি। তারা 'যে-কোনো মূল্যে' অভিনয় করতে চায়। মূল্যটা যে কত বড় তা জেনেও না-জানার ভান করে। আমি একবার এক বিয়েতে গিয়েছিলাম। বিয়ের কনে আমাকে দেখে আবেগজর্জরিত গলায় বলল, আঙ্কেল, আমার সারা জীবনের স্বপ্ন অভিনয় করা। আমি বললাম, স্বপ্ন পূরণের সুযোগ তো পেয়ে গেছ। বিয়ে হয়ে গেল, বাকি জীবন কাটাব স্বামীর সঙ্গে অভিনয় করে।"
নাটকের স্পট দেখতে যেয়ে লেখক পড়ে যান মহাবিপদে। ঝড়ের কবলে পড়ে চলে যান গন্তব্য থেকে দূরে! খোঁজ পান রহস্যময় এক জাদুকরের।
রহস্য, হিউমার, মিথ, ব্ল্যাক ম্যাজিক সবই রয়েছে। শুরু অনুযায়ী শেষটা খাপছাড়া। কখনো কাহিনী তো আবার কখনো ম্যাজিকের থিওরি, তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছিলো। মুনশির ম্যাজিক নিয়েই বইয়ের প্লট হলেও মূল চরিত্রই কেমন জানি ধোঁয়াশার মধ্যে থেকে গেছে।
ফাইজলামির একটা সীমা আছে, ডিয়ার মিস্টার আহমেদ। ফিকশনের মধ্যে যা কিছু লেখেন সমস্যা নাই, তবে নিজের জীবনকাহিনীর মধ্যে প্যারানর্মাল ঘটনা ঢুকায় একটা সুররিয়েল আবহ তৈরি করে ইহারে 'জগতের রহস্য' হিসেবে চালানোর চেষ্টা অনৈতিক। নুহাশপল্লীতে অনেকরেই নানা কাহিনী করে ভূত দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন সে কথা জানি, তবে এরকম প্রাক্টিকাল জোক বইয়ের মাঝে না করলেই ভালো করতেন।
নিজের পাঠকদের বুদ্ধিমত্তাকে আণ্ডারএস্টিমেট না করলে এরকম বই লেখা আপনার পক্ষে সম্ভব ছিল না।
ঘেটুপুত্র কমলা ছবির লোকেশন দেখতে যাবার সময় এক ম্যাজিক মুন্সীর সাথে সাক্ষাত নিয়ে লেখা বইটি। বইটায় একটু রসহীন সাথে যাদুবিদ্যা সম্পর্কিত অন্য বই থেকে নেয়া তথ্যাদি দিয়ে ঠাসা ও আজগুবি কিছু কাহিনী । যাদু বা হাতসাফাই সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা হয় এই যা। তবে একজন আধুনিক সময়ের লেখক হয়ে এইসব প্যারালাল বিষয়ে বিশ্বাস ব্যাপার টা আমার কাছে বদহজমের।
জগৎ রহস্যময়। রহস্যে ঘেরা এই জগতের কতটুকু রহস্যের সমাধান আমাদের আছে? সব জানা অবশ্য সম্ভব ও নয়। রহস্যময় প্রকৃতি সব সময় তার এই গোপন রহস্য বজায় রাখবে,ভেদ করা যাবে না। তাই,লেখকের মত, আমিও বলি ignorance is bliss.
ম্যাজিক মুনশি অদ্ভুত এক জাদুকর। তার এই জাদুর কোন রহস্য ভেদ করতে পারেন নি লেখক,এটাকে তাই তিনি রহস্যের ভাগাড়ে ফেলেছেন। অতিপ্রাকৃত বিষয়াবলি নিয়ে অনেক তথ্য দিয়েছেন, এটা বোঝানোর জন্য যে অতিপ্রাকৃত এসব বিষয় প্রকৃতির রহস্যময়তার একটা অংশ। তা না হলে,এসব কোন যুক্তির মধ্যে ফেলা যায় না কেনো? আমি লেখকের মতামতের সাথে সম্পূর্ণ একাত্মতা পোষণ করি।
এই বইয়ে বাড়তি পাওনা হিসেবে পেলাম, তারাশঙ্করের "ডাইনী" গল্প টা। অনবদ্য একটা লেখা।
ভূতে/অতিপ্রাকৃত গল্প? উপন্যাস? আত্মজীবনী? কোন জনরায় যে ফেলব বুঝতেছি না তবে আত্মজীবনীতে ফেললে হয়ত বেশি মানানসই হবে। হুমায়ূন আহমেদের এক নৌকা যাএার অভিজ্ঞতাই মূলত এটা। প্রতি মুহুর্তে তার পরিচয় হয় মুনশি নামে একজনের সাথে যে একসাথে একজন ইমাম ও সেই সঙ্গে ম্যাজিশিয়ান ও। এখন দুইটা দুই মেরুর হলেও তারা এক সত্তা। এই বইটিতে হুমায়ূন স্যার বিভিন্ন জাদু টোনা নিয়ে কথা বলেছেন, ব্লাক ম্যাজিকের উল্লেখ করেছেন, নিজে জাদু দেখিয়েছেন এবং অন্যদের জাদু দেখেছেন। এভাবেই বইয়ের সমাপ্তি। বইটাকে আত্মজৈবনিক রচনা সমগ্রের মধ্যে কেন ফেলা হয় নাই এটা নিয়ে মনে প্রশ্ন জাগছে!
বুভুক্ষুর মতো প্রতিটা শব্দ যেন গিলেছি। লেখক বইটা দুইবার পড়তে বলেছেন। দ্বিতীয়বার যখন পড়বো হয়তো অন্যরকম ঠেকবে। কিন্তু ইগ্নোরেন্স ইজ ব্লিস - এ ধ্রুব সত্য মেনে নিতে পারছি না। অদম্য কৌতূহল আরো এমন বইপত্র খুঁজে বের করার আগ্রহ দ্বিগুণ করে দিয়েছে।
স্যার, আসব ? আমি চমকে তাকালাম। দরজার সামনে যিনি দাঁড়িয়ে তিনিই যে ম্যাজিক মুনশি তাতে সন্দেহ রইল না। মুখভর্তি দাড়িগোঁফ। মুনশি মাওলানারা দাড়ি রাখেন। গোঁফ রাখেন না। পানি পান করার সময় গোঁফ পানি স্পর্শ করলে পানি নষ্ট (বা হারাম) হয়ে য়ায়, এই কথা প্রচলিত। যদিও হজরত আলী (রাঃ)- এর গালপাট্টা ছিল। গোঁফ ছিল, দাড়িও ছিল। দরজার সামনে যিনি দাড়িয়ে আছেন তার মাথার চুল গ্রামের বয়াতিদের মতো লম্বা। মধ্যবয়স্ক মানুষ। অত্যন্ত সুপুরুষ। চোখের তারা ঘন কালো। চোখ যক্ষা রোগীর মতো ঝকঝক করছে। তবে মানুষটির যক্ষা নেই। খাকলে খুখখুক কাশি শুনতাম। মুনশি সাহেব সবুজ রঙের পাঞ্জাবি পরেছেন। নবীজী (দঃ) সবুজ রঙ পছন্দ করতেন। তাঁর মাথার পাগড়ি ছিল সবুজ। ম্যাজিক মুনশির সবুজ পাঞ্জাবির পেছনে নবীজীর (দঃ) পছন্দের রঙ কাজ করতে পারে। তিন পাঞ্জাবির সঙ্গে লুঙ্গি পরেছেন। লুঙ্গির রঙ ধবধবে সাদা। পায়ে খড়ম। বিশেষ ধরনের খড়ম। ময়মনসিংহ অঞ্চলে এই খড়মকে বলে ‘বউলাওয়ালা খড়ম’ । আপনিই কি ম্যাজিক মুনিশি ?
গেটুপুত্রকমলা ছবির শুটিংয়ের জন্য রাজবাড়ী দেখতে যান হুমায়ুন আহমেদ। যাত্রাপথে উনার সংগে নানান কাহিনি ঘটে। কিন্তু এর মধ্যে তিনি দেখা পান একজন মুন্সির সাথে যার নাম ম্যাজিক মুনশি। তিনি অদ্ভুত সব জাদু দেখিয়ে লেখক হুমায়ুন আহমেদকে অভিভুত করেন। হুমায়ুন আহমেদ জাদুর একের পর এক বিশ্লেষণ দিয়েছেন বইটিতে।
তিনি জাদুবিদ্যা, তন্ত্রসাধনা, অসরিরি সব কিছুর পুরাতন কাহিনি বর্ণনা করেছেন। দিয়েছেন বেশ কিছু বইয়ের রেফারেন্স। বইটি পড়ে ভালোই লেগেছে। মনে মনে ম্যাজিক মুনশিকে দেখার ইচ্ছা হচ্ছে।
জাদুবিদ্যা সম্পর্কিত একটি বই। জাদুবিদ্যা মূলত দুই ভাগে বিভক্তঃএক নিছক হাতের কৌশল আরেক হলো প্রকৃত অর্থে জাদুচর্চা। বেশিরভাগ জাদুকরেরাই এখন হাতের গুটি কয়েক কৌশল দিয়ে মানুষকে ধাধায় ফেলে দেন এবং সেটাকেই ধাধার নামে চালিয়ে দেন। ঘেটুপুত্র কমলা সিনেমার শুটিং এ গিয়ে হাওড়ে রইস মুনশীর সাথে লেখকের পরিচয়। মুনশী সেখানকার ইমাম হয়েও মানুষকে জাদু দেখাতো। সে আধুনিক কোনো কলাকৌশল ব্যবহার করতো না বরং জাদুর মৌলিক চর্চা করতো। জাদু নিয়েই বইয়ের বৃহত অংশ লেখা, তবে কেনো যেন মনে হয়েছো কিছু জায়গায় বাড়তি আলাপ করা হয়েছে যা নিতান্তই আলোচ্য বিষয়ের বহির্ভূত ছিলো।
অসাধারণ কিছু তথ্য বইয়ের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে। হুমায়ুন স্যার তার স্বভাবতই এই অবাক করার বিষয় গুলো তার মত করে মজাদার ভাবেই উপস্থাপন করেছেন। ইতিহাসের অলি গলির সূক্ষ্ম কিন্তু মজার বিষয়গুলো আমাকে ম্যাজিক ম্যাজিক মুনশি 'র চাইতে বেশি আনন্দ দিয়েছে।
ম্যাজিক মুনশি জাদুবিদ্যা জনরার বই। জাদুবিদ্যার বিভিন্ন মিথ এবং ভ্রান্ত বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ম্যাজিক মুনশি হল গ্রামের একজন ইমাম। যিনি তার গ্রামের লোকেদের বিভিন্ন জাদু দেখায়। হুমায়ূন আহমেদ তার জাদু দেখে যেমন ম্যাজিক মুনশির গুপ্ত কৌশল ধরে ফেলেছে, তেমনি কিছু জাদু দেখে তার সমাধান খুঁজে না পেয়ে বিস্মিত হয়েছে। একইসাথে হুমায়ূন আহমেদও ম্যাজিক মুনশিকে কিছু জাদু দেখিয়ে অবাক করে দিয়েছে।
আমার মনে হয় ম্যাজিক মুনশির সাথে কথা বলার পর থেকে লেখকের জাদুর প্রতি আগ্রহ কৌতূহল তৈরি হয়। তারপর থেকে জাদুবিদ্যা জনরার বই দিয়ে লেখক পড়ার টেবিল ভর্তি করে রাখে এবং পড়তে শুরু করে। তার বন্ধুদের নিয়ে একসাথে শ্মশান গিয়ে জাদুবিদ্যার চর্চাও শুরু করে দিয়েছিল।
ম্যাজিক মুনশি বইতে লেখক হুমায়ূন আহমেদ আমাদের একটা পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়ে বলেছেন, যদি আপনাদের ইচ্ছা থেকে তবে এটা চর্চা করতে দেখতে পারেন। তাছাড়া এই বইতে জাদুবিদ্যার বিভিন্ন ইতিহাস, উৎপত্তি, মিথ নিয়ে লেখক কথা বলেছে।
লেখক বলেছেন ম্যাজিক মুনশি বই দুইবার পড়তে। তবে আমার কাছে একবার পড়ায় যথেষ্ঠ মনে হয়েছে। লেখক বলেছেন এই বই পড়ার পর নাকি হ্যালুসিনেশন হবে। তবে আমার তা হয়নি। তবে বইটার কোনোকিছু বুঝতে আমার সমস্যা হয় নি।
লেখক বইয়ের শেষ লাইনে একটা কথা বলেছেন,
"রহস্য এই জগতের অতি সামান্যই আমরা জানি। আমাদের উচিত এই সামান্য জ্ঞান নিয়েই তুষ্ট থাকা। বেশি জানতে না চাওয়া।" Ignorance is bliss.
যার সাথে আমি একমত হতে না পেরে ব্যথিত হয়েছি। লেখক বেঁচে থাকলে হয়তো চিঠি লিখে জানাতাম।
হুমায়ূন আহমেদের লেখা আমার ভালোই লাগে । পছন্দের অনেক বই আছে হুমায়ূন আহমেদের। কিন্তু এই বইটা আমার ভালো লাগেনাই তেমন একটা । স্কুলে থাকতে কিনেছিলাম, ভেবেছিলাম হয়তো ভৌতিক কোন উপন্যাস হবে । কিন্তু আশায় গুড়ে বালি। উপন্যাস হতে যেয়েও এটা ঠিক উপন্যাস হয়নি । ব্ল্যাক ম্যাজিক নিয়ে কিছু আলাপ আলোচনা করেছেন, উনার কিছু অভিজ্ঞতা , ঘেটুপুত্র কমলার জন্য শুটিং লোকেশন খুঁজতে যাওয়ার গল্প (কিছু ক্ষেত্রে হাস্যরসের জন্য এক্সাজেরেটেড করা বলে আমার মনে হয়) , ম্যাজিক মুনশির সাথে পরিচয়, আলাপ ইত্যাদি নিয়ে একটা জগাখিচুড়ী হয়েছে। শেষের দিকে হুমায়ূন আহমেদের লেখা কেমন জানি হয়ে গিয়েছিল আমার মনে হয় , একটু সিনসেয়ারিটি কমে গিয়েছে , যা খুশি লিখলাম, পাঠক তো পড়বেই। ব্ল্যাক ম্যাজিক বা এই রিলেটেড টপিক নিয়ে আগ্রহী দের ভালো লাগতে পারে হয়তো ।
ওভারল খাপছাড়া লেগেছে । ভালো লাগে নি বইটা তেমন , কিন্তু মন্দের ভালো হচ্ছে এই বইয়ের মাধ্যমে তারাশঙ্করের লেখার সাথে পরিচয় আমার । বইয়ের শেষে তারাশঙ্করের ডাইনি গল্প টা দেয়া আছে , পড়ে ভালো লেগেছিল।
হুমায়ূন আহমেদ এর হাত দিয়ে এই গল্প কিভাবে বের হল বুঝতে পারছি না। ইন্টারনেটঘাঁটা আর অন্যান্য বই থেকে নেয়া কিছু তথ্য দিয়ে বোঝাই বইয়ের অর্ধেকেরও বেশি। বইয়ে কোন গল্পের দেখা পেলাম না। ২০১০ সালে এসে হুমায়ূন আহমেদের মতো একজন লেখক এমন ফালতু বই লিখেছেন সেটা দেখে অবাক হচ্ছি।
নিকৃষ্টতম এক বই। মূর্খদের এ দেশে যখন পিএইচডি করা রসায়নের শিক্ষক তথাকথিত 'অতিপ্রাকৃত' বিষয়কে জগতের রহস্য হিসেবে মহিমান্বিত করার চেষ্টা করেন, এবং তা হাজার হাজার কপি বিক্রি হয়, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হওয়া উচিত।
ম্যাজিক মুনশি, বইটি পড়ে শেষ করলাম।লেখক ঘেটুপুত্র কমলা সিনেমাটি বানাবেন এই জন্য নাচঘর আছে এমন পুরাতন মহল খুঁজছেন কিন্তু পাচ্ছেন না।অবশেষে সুনামগঞ্জের বেকট(মানে খুব গ্রামীণ আর অজ গাঁ)তে এক পুরাণ বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে।লেখক নিজেই সে বাড়ি দেখার অভিলাষে লঞ্চে করে রওনা হলেন।মাঝ রাস্তায় ঝড় উঠে এবং লঞ্চ এসে থামে তারানগর নামক এক গ্রামে।যে গ্রামে বসবাস ম্যাজিক মুনশির। সর্পরাজ নামক ব্যক্তি এই মুনশি কে নিয়ে আসেন, লেখক কে ম্যাজিক দেখিয়ে মুগ্ধ করার জন্য।লেখক ভাবলেন খুব সাধারণ কিছু ম্যাজিক তিনি দেখবেন।কিন্তু না মুনশি একটু আলাদা,যার ম্যাজিক দেখে তিনি মুগ্ধ। লেখক যেহেতু ম্যাজিক নিয়ে আগ্রহী তাই তিনি নিজে তাকে এক ম্যাজিক দেখান যেটা দেখে ম্যাজিক মুনশি অভিভূত। ম্যাজিক মুনশি এইখানে খুব কম সময়ের জন্য উপস্থিত ছিলেন।মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে,ইউরোপ, আমেরিকা তথা পুরো পৃথিবী তে ম্যাজিকের চর্চা এবং ম্যাজিক গুলোর বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিজ্ঞান যে অপারগ সব কিছুর ব্যাখ্যা দিতে সেটা তুলে ধরেছেন।ইউরোপে উইচ ক্যাফট এক্টের মাধ্যমে ৭০ হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়।প্রকাশ্যে কালো জাদু বে-আইনি যে বা যারা এর সাথে জরিত তাদের ফাঁসিতে ঝুলানো হত।১৯৫১ সালে এই আইন বাতিল হয়।অনেকে ব্ল্যাক ম্যাজিক করে থাকেন এখন ও। মূলত যাদু এবং সংখ্যার যাদু,পর জগত,আত্মার সাথে যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম গুলো এখানে তুলে ধরা হয়ছে। ম্যাজিক মুনশি মারা যান তার যাদুর রহস্যের পিছনের কারণ লেখকের অজানাই থেকে যায়। পরিশেষে বলি,বই টি যারা যাদু বিদ্যা নিয়ে আগ্রহী তারা পড়তে পারেন,তাছাড়া আমার মত সাধারণ পাঠক ও পড়তে পারেন। আর সাহিত্যের মূল উদ্দশ্যে হচ্ছে মনের আনন্দ, আর এই মন্ত্র যারা বিশ্বাস করেন তাদের জন্য বইটি খারাপ লাগবে না।
বই পড়াকে কোনো মহান কাজ আমার মনে হয় না। বই পড়াটা জীবন যাপনের অংশ। আমার চলতি এবং ক্ষয়িষ্ণু জীবনের সঙ্গীরা হলো বই। কোনো বই পড়ে তাই আমার প্রত্যাশা থাকে না যে, এই বইটা আমার জীবন পাল্টে দিবে।
প্রতিটা বইয়ে আমি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাটাকে পুঁজি করতে পছন্দ করি। যেমন এই বইটা আমার আজকে পড়ার কথা ছিলো না। ভোরের ট্রেনে হবিগঞ্জ এসে দুপুরের আগে কিছু সময় বিশ্রামের সৌভাগ্যে বইটা পড়া হলো। বইয়ে হুমায়ুন আহমেদ যে গল্পটা বলেছেন, সেটা অতিরঞ্জিত, বানোয়াট এবং সর্বৈব মিথ্যা। প্রাপ্ত বয়স্ক পাঠকেরা এটা একবার পড়েই বুঝতে পারবেন। আমার ধারণা হুমায়ুন আহমেদ ও এটা জানতেন। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় না। মূল গল্পের বাইরে হুমায়ুন আহমেদ যে প্রকান্ড ফ্যাক্টের সমাহার বইটিতে গল্পের ভাঁজে ভাঁজে সাজিয়েছেন, সেটিই কৌতুহলী পাঠকের আগ্রহের জন্য যথেষ্ট।
বাংলাদেশে জাদুবিদ্যা নিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত, সাংস্কৃতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক অনুসন্ধানের পরিসর দৃশ্যত খুব কম। কিন্তু চর্চিত জাদুবিদ্যার একটি সামাজিক - নৃবৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এবং ইতিহাস সূত্রতা আছে। যারা ভাবতে ও জানতে ভালোবাসেন, বইটা তাদের জন্য। সাথে সাহিত্যের মোড়কে পাওয়া যাবে কিছু উপাদেয় হিউমার।
ফুটনোট: মায়ের বুক ছাড়ার আগ থেকেই আমি একা নিজের রুমে ঘুমাই। জীবনে বহু বিচিত্র কর্মকান্ড করেছি কিন্তু ভৌতিক, অলৌকিক কিছু দেখিনি। এমনকি কোনো উল্লেখযোগ্য দুঃস্বপ্নও নয়। তবে মানুষের ভাবা, বলা ও করা নিয়ে আমার জানতে ভালো লাগে।
"You either die a hero, or live long enough to see yourself become the villain" -Harvey Dent
I had a hard time believing that this same person wrote masterpieces like জোছনা ও জননীর গল্প, নন্দিত নরকে, লীলাবতী and so on. It wasn't even a story or novela. The main story was 2 pages at the most and the rest of it was Humayun Ahmed flexing about the books he read or things he experienced.
I came across this book because of the YouTube channel golpokothon by kollol. I don't know if the book has references or not. The writer heavily quoted from other books. Even the story matched with the short story "ভুত" from "আজ দুপুরে তোমায় নিমন্ত্রণ". Both characters went to Pabna Mental Asylum after their wives died by a snake bite.
I need to cleanse my eyes with books of Humayun Ahmed before 2005. Don't torture yourself with this book, read his other works.
"ম্যাজিক মুনশি" একেবারে আলাদা ঘরানার হুমায়ূন আহমেদ কাহিনি । এটি নিছক কোনো উপন্যাস নয়—বরং রহস্যময়তার ভেতর জাগতিক যুক্তি ও আধ্যাত্মিকতার সংমিশ্রণ । ম্যাজিক মুনশি নামের চরিত্রটি একদিকে যেমন বাস্তব, তেমনি রহস্যে মোড়ানো এক রূপকথার মতো ।
হুমায়ূন আহমেদের সহজ ভাষা, ব্যঙ্গ-রস, আর গভীর জীবনবোধ এই বইকে করে তুলেছে অনন্য । চরিত্রগুলো বাস্তব অথচ ছায়া-মিশ্রিত, যা পাঠককে প্রথম পাঠেই টেনে নিয়ে যায় অজানা এক জগতে ।
এটি এমন একটি বই, যা একবার পড়ে শেষ করা যায় না। প্রতিবার পাঠে নতুন কিছু উপলব্ধি হয় । যারা হুমায়ূন আহমেদের লেখা নিয়ে ভাবেন, “আর কী নতুন আছে?”—তাদের জন্য এটি এক নতুন অভিজ্ঞতা ।
ফু মানচু (ডেভিড) সাদা আর কালো হাঁসের মাথা পরিবর্তন এর ভিডিও ইউটিউবে কোথাও পাই নাই, এই ট্রিকটা এক্সপ্লেইন করে কোনো আর্টিকেল থাকলে প্লীজ রেকমেন্ড।
আমি বেশি রিলেট করতে পারছি কারণ আমার বাড়িও সুনামগঞ্জ।
আসলে গল্পটা ম্যাজিক মুনশিকে নিয়ে না জাদু নিয়ে একটা প্রবন্ধ টাইপ, ম্যাজিক মুনশি মারা যাওয়ায় লেখার আর কিছুই নাই তাকে নিয়ে তাই জাদুর ট্রিক্স দিয়ে গল্প বড় করছেন। কিছু বইয়ের রিকমেন্ডেশনও পাইছি আবার জাদুর পিছনের বিজ্ঞানও জানছি এইটা ভালো হইছে।
কিন্তু মুনশি লোকটা যেহেতু বাস্তবে ছিলেন তাই বলতেই হয় খুবই অস্বাভাবিক একটা চরিত্র এর গল্পটা প্রকৃতিই আমাদের জানতে দিল না।
ম্যাজিক নিয়ে যাদের আগ্রহ, তাদের জন্য এই বই। হুমায়ূন আহমেদ নিজে ম্যাজিক খুব ভালোবাসতেন , তার সঙ্গে ম্যাজিক মুনশির দেখা হওয়াও একটা ম্যাজিক। ম্যাজিক বিষয়ে হুমায়ূন আহমেদ এই বইতে অনেক কথা বলেছেন, পাঠক এই বই পড়ে, এক. প্রথমে, ম্যাজিকে উৎসাহী হবেন। দুই. তারপরে, ম্যাজিকের চাইতেও লজিকে বেশি উৎসাহিত হবেন। " প্রকৃতি রহস্য করতে পছন্দ করে কিন্তু রহস্য পছন্দ করে না। " সপ্তর্ষি ( ২০/০৭/২০২২)