What do you think?


ইতিউতি হাঁটাহাঁটি
এ বইটা কিছু ঘোরাঘুরির গল্প নিয়ে।
এ বইটা কিছু ঘোরাঘুরির ছবি নিয়ে।
পাহাড়ে উঠতে হবে কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে স্যার এডমান্ড হিলারী নাকি বলেছিলেন, বিকজ ইট ইজ দেয়ার। ‘ইতিউতি হাঁটাহাঁটি’র লেখক ফুয়াদ বিন ওমরের ভাষ্যও অনেকটা সেরকম। বন্ধুরা যখন বলে ওঠে, এত ঘোরাঘুরির দরকার কী? তখন তিনি অবাক হয়ে উত্তর দেন, ‘আশ্চর্য! ঘুরতে যাব না!’ অর্থাৎ নবীন বয়েসেই তিনি পায়ের তলায় সর্ষের অস্তিত্ব টের পেয়েছেন। হেঁটে বেড়াচ্ছেন নানান দেশের বিচিত্র পথে-প্রান্তরে। দু’টো দিন ছুটি পেলেই তিনি বেড়িয়ে পড়ছেন। এ যেন এক অদ্ভুত নেশা। আর যাবার সময় বন্ধুদেরও আহবান জানাচ্ছেন এবং তাদের না যাবার একাধিক জোরাল কারণকে ‘অজুহাত’ বলে উড়িয়ে দিয়ে আপত্তিকর সব মন্তব্য করছেন। সেসবে অতিস্ট হয়ে এবং তার ফেসবুক পাতায় প্রকাশিত ভ্রমণ-বর্ণনায় প্রলুব্ধ হয়ে ইতঃমধ্যে কেউ কেউ তার সঙ্গীও হয়েছেন। তাদেরও নেশা ধরে যায় যায় অবস্থা। সে গল্প এখন থাক। তিনি ঘোরাঘুরি করেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না, সেসবের সরস এবং প্রায় গ্রাফিক বর্ণনা তিনি নিয়মিত তুলে ধরছেন তার ফেসবুক পাতায়। এবার আরেক ধাপ এগিয়ে বই আকারেও সেগুলো পাওয়া গেল।
এই বই ছাপা হওয়া পর্যন্ত তিনি বত্রিশটা দেশের একশয়ের বেশি শহরে এবং গ্রামে গিয়েছেন। স্বপ্ন দেখছেন আরও অনেক জায়গায় যাবার। এখানে আপাততঃ শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ড্স, নেপাল, মালদ্বীপ, ভারত, সুইডেন, মিশর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক আর জাপানের কিছু অভিজ্ঞতা সংকলিত হল। বইয়ের এক একটি অধ্যায় এক একটি জগত খুলে দেবে পাঠকের সামনে - যা তাকে শুধু মুগ্ধই করবে না অনেকখানি প্রলুব্ধও করবে। এবং প্রলুব্ধ হয়ে কেউ যদি কোন এক ফাঁকে বেরিয়ে পড়তে চান, এই বই তার প্রাথমিক গাইড হিসেবেও কাজ করবে।
চলুন প্রিয় পাঠক, তার ইতিউতি হাঁটাহাঁটির সঙ্গী হই।
এ বইটা কিছু ঘোরাঘুরির ছবি নিয়ে।
পাহাড়ে উঠতে হবে কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে স্যার এডমান্ড হিলারী নাকি বলেছিলেন, বিকজ ইট ইজ দেয়ার। ‘ইতিউতি হাঁটাহাঁটি’র লেখক ফুয়াদ বিন ওমরের ভাষ্যও অনেকটা সেরকম। বন্ধুরা যখন বলে ওঠে, এত ঘোরাঘুরির দরকার কী? তখন তিনি অবাক হয়ে উত্তর দেন, ‘আশ্চর্য! ঘুরতে যাব না!’ অর্থাৎ নবীন বয়েসেই তিনি পায়ের তলায় সর্ষের অস্তিত্ব টের পেয়েছেন। হেঁটে বেড়াচ্ছেন নানান দেশের বিচিত্র পথে-প্রান্তরে। দু’টো দিন ছুটি পেলেই তিনি বেড়িয়ে পড়ছেন। এ যেন এক অদ্ভুত নেশা। আর যাবার সময় বন্ধুদেরও আহবান জানাচ্ছেন এবং তাদের না যাবার একাধিক জোরাল কারণকে ‘অজুহাত’ বলে উড়িয়ে দিয়ে আপত্তিকর সব মন্তব্য করছেন। সেসবে অতিস্ট হয়ে এবং তার ফেসবুক পাতায় প্রকাশিত ভ্রমণ-বর্ণনায় প্রলুব্ধ হয়ে ইতঃমধ্যে কেউ কেউ তার সঙ্গীও হয়েছেন। তাদেরও নেশা ধরে যায় যায় অবস্থা। সে গল্প এখন থাক। তিনি ঘোরাঘুরি করেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না, সেসবের সরস এবং প্রায় গ্রাফিক বর্ণনা তিনি নিয়মিত তুলে ধরছেন তার ফেসবুক পাতায়। এবার আরেক ধাপ এগিয়ে বই আকারেও সেগুলো পাওয়া গেল।
এই বই ছাপা হওয়া পর্যন্ত তিনি বত্রিশটা দেশের একশয়ের বেশি শহরে এবং গ্রামে গিয়েছেন। স্বপ্ন দেখছেন আরও অনেক জায়গায় যাবার। এখানে আপাততঃ শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ড্স, নেপাল, মালদ্বীপ, ভারত, সুইডেন, মিশর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক আর জাপানের কিছু অভিজ্ঞতা সংকলিত হল। বইয়ের এক একটি অধ্যায় এক একটি জগত খুলে দেবে পাঠকের সামনে - যা তাকে শুধু মুগ্ধই করবে না অনেকখানি প্রলুব্ধও করবে। এবং প্রলুব্ধ হয়ে কেউ যদি কোন এক ফাঁকে বেরিয়ে পড়তে চান, এই বই তার প্রাথমিক গাইড হিসেবেও কাজ করবে।
চলুন প্রিয় পাঠক, তার ইতিউতি হাঁটাহাঁটির সঙ্গী হই।
- GenresNonfiction
143 pages, Hardcover
First published August 30, 2017
About the author
Fuad Bin Omar
1 book11 followersজন্ম বাংলাদেশের খুলনাতে, ১৯৮৩ সালে। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে - সিলেট, বাগেরহাট, যশোর আর টাঙ্গাইলের গ্রামে।
নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ার পর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করেন।
২০১০ এ সহ প্রতিষ্ঠা করেন ন্যাসেনিয়া নামের একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান। বই পড়তে, সিনেমা দেখতে, ঘুরে বেড়াতে আর নতুন কিছু করতে পছন্দ করেন। এ পর্যন্ত বত্রিশটা দেশে গিয়েছেন, আরও গোটা বিশেক দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে রেখেছেন, শুধু সময় আর সুযোগের অপেক্ষায় আছেন বেড়িয়ে পরার।
নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ার পর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করেন।
২০১০ এ সহ প্রতিষ্ঠা করেন ন্যাসেনিয়া নামের একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান। বই পড়তে, সিনেমা দেখতে, ঘুরে বেড়াতে আর নতুন কিছু করতে পছন্দ করেন। এ পর্যন্ত বত্রিশটা দেশে গিয়েছেন, আরও গোটা বিশেক দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে রেখেছেন, শুধু সময় আর সুযোগের অপেক্ষায় আছেন বেড়িয়ে পরার।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
February 15, 2018
মাত্র ১৪৩ পৃষ্ঠার বই এতো তথ্যবহুল আর এতো চমৎকার হতে পারে না পড়লে অজানাই থেকে যাবে। সাথে সংযুক্ত ৮ পৃষ্ঠা জুড়ে ঝকঝকে ঝলমলে ছবি ভ্রমণ করার ইচ্ছাটাকে বুকের ভেতর থেকে লাফ দিয়ে বাইরে বের করে আনতে পারে।
লেখক শুধু পর্যটক হিসেবেই নন লেখক হিসেবেও তুখোঁড়। বেশ সহজ ও সাবলীল এবং চমকপ্রদ লেখনী।
এখন, আমি জাপান যেতে চাই। থাইল্যান্ডও যাব। আর সব জায়গায় যেতে চাই।
লেখক শুধু পর্যটক হিসেবেই নন লেখক হিসেবেও তুখোঁড়। বেশ সহজ ও সাবলীল এবং চমকপ্রদ লেখনী।
এখন, আমি জাপান যেতে চাই। থাইল্যান্ডও যাব। আর সব জায়গায় যেতে চাই।
September 12, 2017
“The world isn’t in your maps and books,
It’s out there.”
--- Gandalf
কুয়োর ব্যাঙ, ঘরকুনো শব্দগুলো সম্ভবত বাঙ্গালীদের সাথে যতটা জুড়ে দেয়া হয়েছে বিশ্বের অন্যকোন জাতির সাথে ততটা দেয়া হয়নি। তিনবেলা পেট পুরে খাবার, সুন্দরী বউ, সুন্দর সন্তান, নিরাপদ নিবাসে নিশ্চিত ঘুম এর বাইরে ভাবতে পারে বাঙালীর সংখ্যা খুব কম। সবথেকে পরিতাপের বিষয় আমরা দূর দেশে ভ্রমণে যাব এটা তো দূরের কথা ভ্রমণ যাবার স্বপ্ন দেখতে কিংবা পরিকল্পনা করতেও সাহস পাইনা।
যারা নিজেদের কুয়োর ব্যাঙ হিসাবে সারাজীবন দেখতে চান তারা ভুলেও এই বই পড়বেন না। তাঁদের মত কুয়োর ব্যাঙের জন্য এইবই হবে সময়ে অপচয় মাত্র।
তবে যারা ছোটবেলায় অন্তত একবার সাত সমুদ্র তের নদীর পার করে ঘুমন্ত রাজকন্যাকে উদ্ধার করার স্বপ্ন দেখেছেন, আজও নতুন করে জানতে চান ঐ বিশাল উত্তাল সমুদ্র কিংবা গননচুম্বী পাহাড় কাগজের ম্যাপ থেকে বাস্তবের জলরাশিতে রূপ কিংবা কোটি বছরের প্রস্তর খন্ডে রূপ নিলে কেমন বিশালতায় আপনাকে গ্রাস করবে তারা অবশ্যই পড়বেন লেখক ফুয়াদ বিন ওমরের ইতিউতি হাঁটাহাঁটি বইটি।
🔹 বইয়ের নামঃ ইতিউতি হাঁটাহাঁটি
🔹 লেখকঃ ফুয়াদ বিন ওমর
🔹 প্রকাশনীঃ বইপোকা প্রকাশনা
🔹 পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৫৮ ( ১৪ টি রঙ্গিনছবিসহ )
🔹 জনরাঃ ভ্রমণ গল্প সংকলন
লেখক ফুয়াদ বিন ওমর বলতে গেলে অল্প বয়সেই পাড়ি দেবার গৌরব অর্জন করেছেন ৩২ টি দেশের সীমানা। তারমধ্যে মাত্র দশটি টি দেশের তেরটি গল্পটি নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে। প্রতিটি গল্পের দেয়া হয়েছে সুন্দর এক একটি নাম। কয়েকটি গল্পের নাম দিলাম,
⚫কলম্বো থেকে এল্লা
⚫ওলান্দাজের শহরে
⚫সীমানা ছাড়াতে চাই
⚫অন্নপূর্ণার কোলে
⚫ভিউ কার্ডের দেশে পদার্পণ
ভ্রমণের শুরুটা হয় শ্রীলংকা থেকে। তারপর নেদারল্যান্ডস, নেপাল, মালদ্বীপ, কাশ্মীর, থাইল্যান্ড, ইস্তামবুল, সুইডেন আর শেষ হয় জাপানের টোকিওতে।
এছাড়া সীমানা ছাড়াতে চাই গল্পে আছে বাংলাদেশের বান্দরবনের পাহাড়ে ট্রাকিং এর গল্প যেখান থেকে মূলত লেখক নেপালের ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৪১৩০ মিটার উঁচুতে অন্নপূর্ণা বেসক্যাম্পে যাবার পরিকল্পনা করেছিলেন। আর সেই অসাধারণ বর্ণনা আছে ঠিক তার পরের গল্পে অন্নপূর্ণার কোলে।
দশটি দেশ! দশটি জনপদ! দশটি বৈচিত্র্য!
সবাই আমরা এই পৃথিবীর মানুষ। তারপরেও যেন অনেক পার্থক্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রেশ হয়তো কোথাও কিছু মিলেমিশে গেছে কিন্তু মানুষের চিন্তা-ভাবনা, মননশীলতার বৈচিত্র্য সত্যি অনেক বেশি চোখে ধরা পরার মত।
লেখকের প্রতিটা লেখায় পাঠক ডুবে যাবে। মনে হবে লেখকের সাথে সেও সেই জায়গায় নিজের মানসচোখে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে। তারপরও আবার ওলান্দাজের শহরের গল্পটি ব্যক্তিগতভাবে বেশি ভাল লেগেছে । ১৬৫ ক্যানেল আর ১৩০০ ব্রীজের কয়েকশত বছরের পুরাতন আমস্টারডাম শহরটা সরাসরি কেমন হবে দেখার জন্য মনে জেগেছে আকুল মিনতি। আর জনপদ হিসাবে মন কেড়েছে জাপানের মানুষের গল্প যারা কোন বাড়তি প্রতিদান ছাড়া নিজেদের কাজ করে চলেছে পরম যত্নে আর তাঁদের আছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গুন, মানুষকে বিশ্বাস করার, যথাযথ সম্মান দেবার।
ভ্রমণের বর্ণনার বিরতিতে লেখক প্রায় উপস্থাপন করেছে ইতিহাসের গল্প যা পরবর্তী ভ্রমণ গন্তব্যের গল্প পড়বার প্রতি আগ্রহ কয়েকগুন বেড়ে যাবে পাঠকদের। সেই সাথে চলতি পথের বিড়ম্বনা নামক গল্পে তিক্ত কিছু অভিজ্ঞতার কথা যা পড়ে চলতি পথের বাস্তবতাও লেখক মনে করিয়ে দেবার চেষ্টা করেছেন। সবচেয়ে ভাল লেগছে লেখকের সরল স্বীকারোক্তি। উনি কোথাও নিজেকে বাহাদুর হিসাবে প্রমাণ করতে চাননি। সেই ঘুরে ফিরে নিজের বাঙালী স্বত্বাকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন বার বার।
ব্যক্তিগত মতামতঃ
এই প্রথম কোন ভ্রমণ গল্প সংকলন পরলাম। একটি শব্দে বলবো মুগ্ধ। লেখক অতিরিক্ত কথা দিয়ে কোথাও পৃষ্ঠা ভরাননি। যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু লিখেছেন।
বইটা পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে পাঠকদের বই বইটির শেষে ১৪ পৃষ্ঠার ভ্রমণ গল্পগুলির সাথে সম্পর্কিত ছবি দেখা আছে। আপনার কোন গল্প পড়বার শূরু করার আগে শুধুমাত্র ঐ গল্প সম্পর্কিত ছবি দেখে নেবেন মন ভরে তারপর পড়া শুরু করবেন। এর ফলে আপনাদের সেই জায়গাটি কল্পনা করতে বেগ পেতে হবে না।
লেখক শেষে বিনয় দেখিয়ে বলেছেন উনি নাকি ভাল ছবি তুলতে পারেন না। উনার এই বিনয়ের প্রতি কিছু দমবন্ধ করা হাসির ইমো হবে।
নতুন বই হিসাবে সমালোচনা করা উচিৎ। কিন্তু আমি বইয়ের ভাল সমালোচনা করতে পারিনা। তবে লেখকের ভুল নাকি প্রকাশনার জানিনা। লাইন স্পেসিংটা অনেকক্ষেত্রে ঠিক মত দেয়া হয়নি বলে মনে হয়েছে। তবে কাগজের মান, বাঁধাই আর রঙ্গিন ছবি থাকার পরেও এত কম দামে এমন বই বাজারে খুব বেশি আছে বলে মনে হয়না।
পরিশেষে জাপানীদের ভাষায় লেখককে বলতে চাই আরিগাতো গোজাইমাস এমন সুন্দর একটি বই উপহার দেবার জন্য <3
October 5, 2017
বুঝ হবার পর থেকে একজন মানুষের আমি অনেক বড় ভক্ত। সেই মানুষটি হলেন ইবনে বতুতা। তার জীবনের সামান্য যতটুকু জেনছি তাতেই বুক থেকে দীর্ঘশ্বাসে বেরিয়ে এসেছে। আমার নিজের ভ্রমন ভাগ্যে কুফা থাকলেও ইচ্ছার কখনো কমতি ছিলো না। ঋত্তিক, ফারহান আক্তার অভিনিত জিন্দেগী না মিলেগি দোবারা মুভিটা বারবার দেখার একটা কারন হলো মুভির মধ্যে স্পেন দেখে চোখ জুড়ানো। সবাই যেখানে অসংখ্যবার দেখা মুভির নাম জিজ্ঞাস করলে থ্রি ইডিয়েটসের নাম বলে, সেখানে আমি বলি "জিন্দেগী না মিলেগি দোবারা"। স্কাই ডাইভিং বারবার দেখি। ইচ্ছা করে কখন যে লাফ দিবো!! কিন্তু ভ্রমনের ইচ্ছা থাকলেও ভ্রমন কাহিনী নিয়ে কখনো তেমন আগ্রহ হয় নি। ঘরে বিখ্যাত দুইটা ভ্রমন কাহিনী পরে থাকলেও ধরে দেখা হয়নি। তবে প্রথম পড়া ভ্রমন কাহিনীতেই বাজিমাত। লেখক অল্প বয়সেই বিশ্বের ৩২ টা দেশ ভ্রমন করে ফেলেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ১০ টা দেশের ১৩ টা শহরের বর্ণনা দিয়ে সাজিয়েছেন বইটা তবে বইটা শেষ করার পরে মনে হচ্ছিলো লেখক কেন সব এলাকার বর্ণনা দিলেন না! কারন লেখকের সাথে আমিও ওই শহরগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। লেখক আরেকটু বেশি লিখলে আমার আরেকটু বেশি ঘোরা হতো। ভ্রমন কাহিনী গুলো এলাকা ভিত্তিক ছোটছোট গল্পে বিভক্ত। নামগুলোও চমৎকার।
★কলম্বো থেকে এল্লা
★সীমানা ছাড়াতে চাই
★অন্নপূর্ণার কোলে (এটা পড়ার পরে ঘরে থাকা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।)
★ ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর সুন্দর
★ অনন্য ইস্তানবুল
★ বর্ণিল স্টকহোম
গল্পগুলোর মধ্য দিয়ে শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, মালদ্বীপ, ভারত, সুইডেন, মিশর, থাইল্যান্ড, তুরষ্ক আর জাপানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। বইয়ের এক একটা অধ্যায় এক একটা নতুন জগত খুলে দেবে পাঠকের সামনে। মুগ্ধ হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের রূপের বর্ণনা পড়বেন। লেখকের লেখার ধরনে একঘেয়ে লাগার কোনো সুযোগ ছিলো না। মনে হচ্ছিলো আমি লেখকের সামনে চোখ বুজে বসে কল্পনা করছি আর লেখক আমার সামনে বসে গল্প বলছে। কোথাও কোথাও লেখকের অভিজ্ঞতা পড়ে হা হা করে হেসেছি। কেউ যদি মনে করেন ভ্রমন কাহিনী পড়তে হয়ত বোরিং লাগবে, তাদের জন্য বলি; আমিও এমন ভেবেই এতদিন ভ্রমন কাহিনী পড়ি নাই। ভ্রমনের গল্পের পাশাপাশি লেখন কিছু ইতিহাসও বর্ণনা করেছেন। বলেছেন পৌরাণিক কাহিনী। নিজের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন।
ইতিহাস কি! ইতিহাসের বই পড়ে কি মজা! এটা বুঝেছিলাম হুমায়ূন আহমেদের "বাদশাহ নামদার" পড়ে। ভ্রমন কি! ভ্রমন কাহিনী পড়ে মজা কি! এটা বুঝলাম ফুয়াদ ভাইয়ে "ইতিউতি হাঁটাহাঁটি" পড়ে।
এবার একটু বইয়ের কোয়ালিটি নিয়ে বলি। বইয়ের কাগজ, বাইন্ডিং কভার সব ছিলো দেখার মত। বইয়ের শেষে ছবিগুলো ছিলো কল্পনার সাথে বাস্তবতার আচড়। এমন একটা বই এত কম দামে কিভাবে দিলেন প্রকাশক সেটা ভেবে অবাক হচ্ছি।
বহুদিন ধরে রিডার্স ব্লকে থাকার পরে বইটা এক নিমিশে শেষ করলাম। লেখকের কাছে কৃতজ্ঞ। আর অনুরোধ থাকবে পরবর্তী ভ্রমন কাহিনীটা একটু তারাতারী আনবেন। সবশেষে লেখককে মনের গভীর থেকে জানাই "আরিগাতো গোজাইমাস"।
"As long as this exists, this sunshine and this cloudless sky, and as long as I can enjoy it, how can I be sad?"
- Anne Frank, The Diary of a Young Girl
★কলম্বো থেকে এল্লা
★সীমানা ছাড়াতে চাই
★অন্নপূর্ণার কোলে (এটা পড়ার পরে ঘরে থাকা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।)
★ ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর সুন্দর
★ অনন্য ইস্তানবুল
★ বর্ণিল স্টকহোম
গল্পগুলোর মধ্য দিয়ে শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, মালদ্বীপ, ভারত, সুইডেন, মিশর, থাইল্যান্ড, তুরষ্ক আর জাপানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। বইয়ের এক একটা অধ্যায় এক একটা নতুন জগত খুলে দেবে পাঠকের সামনে। মুগ্ধ হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের রূপের বর্ণনা পড়বেন। লেখকের লেখার ধরনে একঘেয়ে লাগার কোনো সুযোগ ছিলো না। মনে হচ্ছিলো আমি লেখকের সামনে চোখ বুজে বসে কল্পনা করছি আর লেখক আমার সামনে বসে গল্প বলছে। কোথাও কোথাও লেখকের অভিজ্ঞতা পড়ে হা হা করে হেসেছি। কেউ যদি মনে করেন ভ্রমন কাহিনী পড়তে হয়ত বোরিং লাগবে, তাদের জন্য বলি; আমিও এমন ভেবেই এতদিন ভ্রমন কাহিনী পড়ি নাই। ভ্রমনের গল্পের পাশাপাশি লেখন কিছু ইতিহাসও বর্ণনা করেছেন। বলেছেন পৌরাণিক কাহিনী। নিজের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন।
ইতিহাস কি! ইতিহাসের বই পড়ে কি মজা! এটা বুঝেছিলাম হুমায়ূন আহমেদের "বাদশাহ নামদার" পড়ে। ভ্রমন কি! ভ্রমন কাহিনী পড়ে মজা কি! এটা বুঝলাম ফুয়াদ ভাইয়ে "ইতিউতি হাঁটাহাঁটি" পড়ে।
এবার একটু বইয়ের কোয়ালিটি নিয়ে বলি। বইয়ের কাগজ, বাইন্ডিং কভার সব ছিলো দেখার মত। বইয়ের শেষে ছবিগুলো ছিলো কল্পনার সাথে বাস্তবতার আচড়। এমন একটা বই এত কম দামে কিভাবে দিলেন প্রকাশক সেটা ভেবে অবাক হচ্ছি।
বহুদিন ধরে রিডার্স ব্লকে থাকার পরে বইটা এক নিমিশে শেষ করলাম। লেখকের কাছে কৃতজ্ঞ। আর অনুরোধ থাকবে পরবর্তী ভ্রমন কাহিনীটা একটু তারাতারী আনবেন। সবশেষে লেখককে মনের গভীর থেকে জানাই "আরিগাতো গোজাইমাস"।
"As long as this exists, this sunshine and this cloudless sky, and as long as I can enjoy it, how can I be sad?"
- Anne Frank, The Diary of a Young Girl
July 13, 2021
“Traveling – it leaves you speechless, then turns you into a storyteller.” – Ibn Battuta
ইংরেজিতে ট্রাভেল আর বাংলায় ভ্রমণ যাই বলি না কেন ঘুরে বেড়ানোর মত ভাল কিছু আর নেই৷ ভ্রমণ সব সময় সুন্দর৷ শুধু যে দেখার জন্যই ভ্রমণ করা হয় বা বিনোদন ও একটু ক্লান্তি দূর করার জন্য ভ্রমণ এমন নয়। এটা নিজেকে জাগ্রত ও বিশ্ব কে দেখার একটা মাধ্যম ও বলা যায়।
আপনি, আমি বা আমরা এই দেশটা কতটুকু চিনি। অথবা দেশের বাইরের কথাই ধরা যাক। আমরা কতটা জানতে পারি বলুন তো। একটি দেশের সম্পর্কে জানার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে ভ্রমণ। আপনি বই পড়ে হয়ত সেই জায়গা সম্পর্কে ধারণা পাবেন। কিন্তু সেখানে স্বশরীরে উপস্থিত হলেই কেবল বুঝতে পারবেন সেই জায়গা বা দেশ সম্পর্কে।
আমি নিজেও ভ্রমণ প্রিয়। ঘুরে বেড়াতে ভাল লাগে। প্যাশন থাকলে কেন জানি হয়ে ওঠেনি। তবে "ইতিউতি হাটাহাটি - ও কিছু ঘোরাঘুরির গল্প" বই পড়ার পর এখন মনে হচ্ছে আমার আসলে ইচ্ছে শক্তির অভাব প্রচন্ড। লেখক ফুয়াদ বিন ওমর আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন যে নিজের ইচ্ছেকে জাগ্রত করো। ঘুরে বেড়ানোর জন্য আগে তোমার ইচ্ছেকে দেখতে হবে। এরপর নিজেই গন্তব্য ঠিক করে নেয়া যাবে।
একটি দেশ বা জাতির সম্পর্কে জানার জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে ভ্রমণ করা। আমার বাবা বলেন পায়ে হেটে ভ্রমণ করতে। যদিও সেটা শহরের মধ্যে আরকি। ও কথা থাক৷
লেখক ফুয়াদ বিন ওমর তার ভ্রমণের সব কিছু বইটিতে উল্লেখ করতে না পারলেও একজন ভ্রমণ পিপাসুর মোটামুটি তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তিনি তার ভ্রমনের জায়গা ও স্থানের বর্নণা খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। আমার তো মনে হচ্ছিল আমি সেখানেই আছি।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় তিনি ইস্তানবুলের যে বর্নণা দিয়েছেন তাতে আমার মনে হয় আমার যেভাবেই হোক যেতে হবে। একবার হলেও যেতে ইস্তানবুল। আবার অপর দিকে আমার অন্যতম প্রিয় দেশ হচ্ছে জাপান। সুযোগ পেয়ে সেখানে চলে যেতাম। কারণ হচ্ছে তাদের ব্যবহার ও নৈতিকতা। লেখক বলেছেন তার বাচ্চাদের জাপানে রেখে নৈতিকতা শিক্ষা দেয়ার ব্যাপারে৷ আসলেই আমাদের নৈতিক শিক্ষার অনেক অভাব।
এই দিকে সার্কভুক্ত দেশ মালদ্বীপের কথাই ধরুন। অনেক গুলো দ্বীপের সমন্বয়ে একটি দেশ৷ আর সমুদ্রের এএত কাছে যে তারা ডুবে যাবার সম্ভবনা রয়েছে৷ সেই দিক থেকে আবার সমস্যা নেই। তাদের জনসংখ্যা চার লাখ। তারা নাকি অস্ট্রেলিয়ার কোথায় জমিও কিনে রেখেছে। আবার কৃত্রিম দ্বীপ বানিয়ে বসবাসের যোগ্য করে তুলেছে। ছোট দেশ হয়েও কত কিছু করেছে৷
এদিক থেকে নেদারল্যান্ডস আমার পছন্দের তালিকায় থাকবে। আমার মনে হয় এরাও জাপানিজদের মত। লেখকের লেখায় অনেকটা তাই মনে হয়েছে। যাবার ইচ্ছেটা তাই রয়ে গেল।
পাহাড় আমার কাছে স্বপ্নের মত। সব সময় পাহাড় আমাকে ডাকে৷ তাই অন্নপূর্ণা যেতে চাই। লেখক যা বর্নণা দিয়েছেন তাতে যেতেই হবে যেভাবে হোক।
পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখার অনেক বাকি। কিছুই দেখিনি। ভ্রমণ নিয়ে এই বইটা পড়ার পর যেকারো মনে হবে৷ আজই বেরিয়ে পরি।
আশা আছে আগে পৃথিবী সুস্থ হোক। দেখা হবে।
ধন্যবাদ।
ইংরেজিতে ট্রাভেল আর বাংলায় ভ্রমণ যাই বলি না কেন ঘুরে বেড়ানোর মত ভাল কিছু আর নেই৷ ভ্রমণ সব সময় সুন্দর৷ শুধু যে দেখার জন্যই ভ্রমণ করা হয় বা বিনোদন ও একটু ক্লান্তি দূর করার জন্য ভ্রমণ এমন নয়। এটা নিজেকে জাগ্রত ও বিশ্ব কে দেখার একটা মাধ্যম ও বলা যায়।
আপনি, আমি বা আমরা এই দেশটা কতটুকু চিনি। অথবা দেশের বাইরের কথাই ধরা যাক। আমরা কতটা জানতে পারি বলুন তো। একটি দেশের সম্পর্কে জানার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে ভ্রমণ। আপনি বই পড়ে হয়ত সেই জায়গা সম্পর্কে ধারণা পাবেন। কিন্তু সেখানে স্বশরীরে উপস্থিত হলেই কেবল বুঝতে পারবেন সেই জায়গা বা দেশ সম্পর্কে।
আমি নিজেও ভ্রমণ প্রিয়। ঘুরে বেড়াতে ভাল লাগে। প্যাশন থাকলে কেন জানি হয়ে ওঠেনি। তবে "ইতিউতি হাটাহাটি - ও কিছু ঘোরাঘুরির গল্প" বই পড়ার পর এখন মনে হচ্ছে আমার আসলে ইচ্ছে শক্তির অভাব প্রচন্ড। লেখক ফুয়াদ বিন ওমর আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন যে নিজের ইচ্ছেকে জাগ্রত করো। ঘুরে বেড়ানোর জন্য আগে তোমার ইচ্ছেকে দেখতে হবে। এরপর নিজেই গন্তব্য ঠিক করে নেয়া যাবে।
একটি দেশ বা জাতির সম্পর্কে জানার জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে ভ্রমণ করা। আমার বাবা বলেন পায়ে হেটে ভ্রমণ করতে। যদিও সেটা শহরের মধ্যে আরকি। ও কথা থাক৷
লেখক ফুয়াদ বিন ওমর তার ভ্রমণের সব কিছু বইটিতে উল্লেখ করতে না পারলেও একজন ভ্রমণ পিপাসুর মোটামুটি তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তিনি তার ভ্রমনের জায়গা ও স্থানের বর্নণা খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। আমার তো মনে হচ্ছিল আমি সেখানেই আছি।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় তিনি ইস্তানবুলের যে বর্নণা দিয়েছেন তাতে আমার মনে হয় আমার যেভাবেই হোক যেতে হবে। একবার হলেও যেতে ইস্তানবুল। আবার অপর দিকে আমার অন্যতম প্রিয় দেশ হচ্ছে জাপান। সুযোগ পেয়ে সেখানে চলে যেতাম। কারণ হচ্ছে তাদের ব্যবহার ও নৈতিকতা। লেখক বলেছেন তার বাচ্চাদের জাপানে রেখে নৈতিকতা শিক্ষা দেয়ার ব্যাপারে৷ আসলেই আমাদের নৈতিক শিক্ষার অনেক অভাব।
এই দিকে সার্কভুক্ত দেশ মালদ্বীপের কথাই ধরুন। অনেক গুলো দ্বীপের সমন্বয়ে একটি দেশ৷ আর সমুদ্রের এএত কাছে যে তারা ডুবে যাবার সম্ভবনা রয়েছে৷ সেই দিক থেকে আবার সমস্যা নেই। তাদের জনসংখ্যা চার লাখ। তারা নাকি অস্ট্রেলিয়ার কোথায় জমিও কিনে রেখেছে। আবার কৃত্রিম দ্বীপ বানিয়ে বসবাসের যোগ্য করে তুলেছে। ছোট দেশ হয়েও কত কিছু করেছে৷
এদিক থেকে নেদারল্যান্ডস আমার পছন্দের তালিকায় থাকবে। আমার মনে হয় এরাও জাপানিজদের মত। লেখকের লেখায় অনেকটা তাই মনে হয়েছে। যাবার ইচ্ছেটা তাই রয়ে গেল।
পাহাড় আমার কাছে স্বপ্নের মত। সব সময় পাহাড় আমাকে ডাকে৷ তাই অন্নপূর্ণা যেতে চাই। লেখক যা বর্নণা দিয়েছেন তাতে যেতেই হবে যেভাবে হোক।
পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখার অনেক বাকি। কিছুই দেখিনি। ভ্রমণ নিয়ে এই বইটা পড়ার পর যেকারো মনে হবে৷ আজই বেরিয়ে পরি।
আশা আছে আগে পৃথিবী সুস্থ হোক। দেখা হবে।
ধন্যবাদ।
April 9, 2024
আমি একসঙ্গে অনেকগুলো বই পড়ি। বদভ্যাসই বলা চলে। মুডের উপর নির্ভর করে কোন বইটি কখন পড়ব। ইদানীং পড়ছিলাম হেমাঙ্গ বিশ্বাসের আত্মজীবনী ‘উজান গাঙ বাইয়া।’ রানী চন্দের, ‘আমার মা’র বাপের বাড়ি’, ক্যারোলিন অ্যাডামসের, ‘Across Seven seas and thirteen rivers’। কোন বইয়ে ১০০ পৃষ্ঠা, কোন বইয়ে ২৫ পৃষ্ঠা পড়ে থেমে আছি। কাজের ব্যস্ততা, বৈষয়িকতার চাপ মিলিয়ে মাথা জট পাকিয়ে গেছে। এই সময় দরকার ছিল একটুখানি সতেজ হাওয়া।
সেই ফুরফুরে হাওয়ার মতনই যেন হাতে পেলাম ফুয়াদ বিন ওমরের, ‘ইতিউতি হাঁটাহাঁটি’। ভ্রমণ শব্দটাই আমায় বরাবর মগ্ন করে। টুরিস্ট নয় ট্র্যাভেলার হতে চেয়েছি সব সময়। পারা হয়ে উঠে না। ফুয়াদ ভাইকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। তার ঘুরে বেড়ানোর তথ্য জানা ছিলো, তবে গল্পগুলো ছিলো অজানা। আমরা অনেকেই যা পারিনি, তিনি তা পেরেছেন। মানে পর্যটক হতে পেরেছেন। কর্মব্যস্ত জীবনের প্রবল স্রোতের মাঝেই তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন দুনিয়ার ৪২টি দেশ! অসংখ্য জনপদ, শহর মাড়িয়েছেন। ‘ইতিউতি হাঁটাহাঁটি’ বইতে পাওয়া যায় এশিয়া, ইউরোপ মিলিয়ে তার কয়েকটির গল্প। গড়পড়তা ভ্রমণ বিষয়ক বইতে যে খটমট বর্ণনা, ক্লান্তিকর তথ্যের জঞ্জাল থাকে তার থেকে এই বই বেশ আলাদা। একটা জায়গায় বেড়াতে গেলে সেখানকার বাতাসেরও যে আলাদা একটা ঘ্রাণ আছে, যাপিত জীবনের যে একটা নিজস্ব ঢং, সুর আছে তা তিনি তুলে ধরেছেন খুব যত্ন করে। বৈচিত্র্যময় সেসব জনপদে হেঁটে বেড়ানোর ছবি যেন আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে। পিঠে ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়ার প্রতি প্রবল এক টান অনুভব করবেন। সত্যজিৎ রায়ের আগন্তুক সিনেমায় প্রথম শুনেছিলাম জার্মান অপূর্ব শব্দ, ‘wanderlust’, যার মানে ভ্রমণের নেশা। লেখকের ভেতরে থাকা নেশাটা ভীষণভাবে তাড়িত করবে আপনাকেও।
ভদ্রলোকের লেখার ধরণ খুব সরল। তবে আপনার অবসাদ দূর করবে আরেকটা কারণেও। তার রসবোধ। মনের ভেতর ভীষণ স্ফূর্তি নিয়ে তিনি যেন লিখেছেন। এমন একটা দৃষ্টিতে তিনি সবটা দেখেছেন যাতে খুব মজা আছে, চাঙ্গা করে দেয় মন।
ভ্রমণের বইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ছবি। ফুয়াদ ভাইয়ের ছবিগুলোও বেশ ভালো। তবে বইয়ের এক কোণায় আটকে না রেখে ছবিগুলো যদি নির্দিষ্ট গল্পের ভেতর ছড়িয়ে দেওয়া যেত তাহলে হয়ত দেখতে আরও ভালো লাগত। এই বই লেখার পরও তিনি আরও বহু দেশে বেড়িয়েছেন। ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য সেসব গল্পও আনন্দদায়ক হবে নিশ্চিত। তবে বাংলাদেশে বই প্রকাশ ও প্রচারের হ্যাপার জন্যই তিনি নাকি আর সেদিকে যাবেন না! এমন সিদ্ধান্ত বদলের জন্য আমি তাকে অনুরোধ করব। নিশ্চয়ই অল্প হলেও এমন প্রকাশক আছেন, ভালো লেখা তুলে ধরতে জানেন।
সেই ফুরফুরে হাওয়ার মতনই যেন হাতে পেলাম ফুয়াদ বিন ওমরের, ‘ইতিউতি হাঁটাহাঁটি’। ভ্রমণ শব্দটাই আমায় বরাবর মগ্ন করে। টুরিস্ট নয় ট্র্যাভেলার হতে চেয়েছি সব সময়। পারা হয়ে উঠে না। ফুয়াদ ভাইকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। তার ঘুরে বেড়ানোর তথ্য জানা ছিলো, তবে গল্পগুলো ছিলো অজানা। আমরা অনেকেই যা পারিনি, তিনি তা পেরেছেন। মানে পর্যটক হতে পেরেছেন। কর্মব্যস্ত জীবনের প্রবল স্রোতের মাঝেই তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন দুনিয়ার ৪২টি দেশ! অসংখ্য জনপদ, শহর মাড়িয়েছেন। ‘ইতিউতি হাঁটাহাঁটি’ বইতে পাওয়া যায় এশিয়া, ইউরোপ মিলিয়ে তার কয়েকটির গল্প। গড়পড়তা ভ্রমণ বিষয়ক বইতে যে খটমট বর্ণনা, ক্লান্তিকর তথ্যের জঞ্জাল থাকে তার থেকে এই বই বেশ আলাদা। একটা জায়গায় বেড়াতে গেলে সেখানকার বাতাসেরও যে আলাদা একটা ঘ্রাণ আছে, যাপিত জীবনের যে একটা নিজস্ব ঢং, সুর আছে তা তিনি তুলে ধরেছেন খুব যত্ন করে। বৈচিত্র্যময় সেসব জনপদে হেঁটে বেড়ানোর ছবি যেন আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে। পিঠে ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়ার প্রতি প্রবল এক টান অনুভব করবেন। সত্যজিৎ রায়ের আগন্তুক সিনেমায় প্রথম শুনেছিলাম জার্মান অপূর্ব শব্দ, ‘wanderlust’, যার মানে ভ্রমণের নেশা। লেখকের ভেতরে থাকা নেশাটা ভীষণভাবে তাড়িত করবে আপনাকেও।
ভদ্রলোকের লেখার ধরণ খুব সরল। তবে আপনার অবসাদ দূর করবে আরেকটা কারণেও। তার রসবোধ। মনের ভেতর ভীষণ স্ফূর্তি নিয়ে তিনি যেন লিখেছেন। এমন একটা দৃষ্টিতে তিনি সবটা দেখেছেন যাতে খুব মজা আছে, চাঙ্গা করে দেয় মন।
ভ্রমণের বইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ছবি। ফুয়াদ ভাইয়ের ছবিগুলোও বেশ ভালো। তবে বইয়ের এক কোণায় আটকে না রেখে ছবিগুলো যদি নির্দিষ্ট গল্পের ভেতর ছড়িয়ে দেওয়া যেত তাহলে হয়ত দেখতে আরও ভালো লাগত। এই বই লেখার পরও তিনি আরও বহু দেশে বেড়িয়েছেন। ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য সেসব গল্পও আনন্দদায়ক হবে নিশ্চিত। তবে বাংলাদেশে বই প্রকাশ ও প্রচারের হ্যাপার জন্যই তিনি নাকি আর সেদিকে যাবেন না! এমন সিদ্ধান্ত বদলের জন্য আমি তাকে অনুরোধ করব। নিশ্চয়ই অল্প হলেও এমন প্রকাশক আছেন, ভালো লেখা তুলে ধরতে জানেন।
June 20, 2023
বইটা যখন পড়া শুরু করলাম মনে মনে ভাবছিলাম এটা কি কোন ব্রোসিয়ার নাকি?এখান থেকে ওখানে গেলাম,রাতে ঘুমালাম আর এভাবেই শেষ হয়ে গেল "কলোম্ব থেকে এল্লা"।০
"ওলন্দাজের শহরে" পড়ার পর একঘেমী লাগছিলো। এবার ভীতরে কিছুটা সংকা কাজ করলো। পুরো বইটা এমন একঘেয়েমীতে ভরা নয়তো?০
এবার নড়েচড়ে বসলাম। কারণ গল্পটা "সীমানা ছাড়াতে চাই"। অন্নপুর্ণা ব্যাস ক্যাম্প এর খুটিনাটি তুলে ধরা হয়েছে। এবার প্রথম মনে হলো আমিও লেখক ফুয়াদ বীন উমর এর সাথে অন্নপুর্ণা্র দিকে হেটে যাচ্ছি। লেখকের অক্সিজেন কমে যাওয়া, মাথা ঝিম ঝিম করা ঘটনা আমাকেও মনে করে দিল ২০২০ এ কেওক্রডাং ট্রেকিং করার কথা। দার্জিলিং পাড়া থেকে ভরপেট খেয়ে হাটা শুরু করেছি ।আর মাত্র ১০ মিনিট পর কেওক্রাডাং চূড়া। হাটতে হাটতে হটাত চোখে হাজার তাড়া দেখতে লাগলাম সাথে মনে হচ্ছে মাথার ভীতরেই ঝি ঝি পোকা অনবরত দেকে চলছে। সেলাইন খেয়ে অল্প কিছু সময় বিশ্রাম করে পুনরায় শুরু করি।৫
খরচের ভয় নিয়ে যে দেশে এসেছিলাম সেখানে থাকা খাওয়া নিয়ে খরচ হলো মাত্র ছয়হাজার চারশত টাকা-"অবিশ্বাস্য মালদ্বীপ" পড়ে এই সুক্ষ বার্তাটি লেখকমাথায় ঢুকিয়ে দেয়।২.৫
কাস্মির নিয়ে মুভী দেখা হলেও কখনো বই পড়া হয় নি। "ভূসর্গ ভংকর সুন্দর" পড়ার পর সত্যজিৎ রায় এর লেখা বইটি পড়ার তীব্র আগ্রহ জন্মায়।৫
বাঙ্গালির প্রথম নোবেল জয়ী অর্মত্য সেন সম্পর্কে সংক্ষেপে জানা যায়"নোবেল জয়ীর সাইকেল" অংশটা পড়ে। অর্থাৎ এক সাইকেলেই সুইডেন ভ্রমণ গল্প শেষ।২
"একই ফ্রেমে দুই শ্ত্রু"পৌরানিক গল্প দিয়ে মিশর ভ্রমণ শেষ।০
কিছুটা তথ্য নির্ভর লেগেছে "চলতি পথের বিড়ম্বনা"। সতর্ক না হলে পৃথিবীর সব জায়গায় প্রতারনার স্বিকার হতে হয়।
আনলিমিটেড খাবার,ট্রেকিং আর নোনা জ্বলের স্বাদ নেওয়ার জন্য সময় সুযোগ পেলে "স্বপ্নিল ক্রাবি" যাওয়ার ইচ্ছা।
২য় বার কল্পনার চোখে সহযোদ্ধা কে নিয়ে তুরস্কের অলিগলিতে ঘুরছি। আর নানা রকম কাবাব এর স্বাদ নিচ্ছি। "অনন্য ইস্তাম্বুল" এই অনুভুতিটা দিয়েছে।৪
চারিদিকে সবুজ ঘাস,স্বচ্ছ পানি, পাহাড়। আমি ছুটে বেড়াচ্ছি। পিছন পিছন আমার সহযোদ্ধা।ধেড়ে গলায় গাচ্ছি ~চলো যাই চলে যাই দূর বহুদু্র~~~~~~~বাস্তবে ফেরত আসি "বার্ণিল স্টকহোম" পড়া শেষ করে।৫
পতাকায় শুধু সাদা আর সবুজের পার্থ্যক্য হলেও আর কোন কিছুতেই কোন মিল নেই। অতিথিপরায়ন হলেও স্বভাবে আমরা নোংরা জাতীই হিসেবে নিজেকে পরীচয় দিতে গর্বোবোধ করি।"নিঁখুত মানুষের দেশে" পার্থ্যক্যটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখার মতো।
"ওলন্দাজের শহরে" পড়ার পর একঘেমী লাগছিলো। এবার ভীতরে কিছুটা সংকা কাজ করলো। পুরো বইটা এমন একঘেয়েমীতে ভরা নয়তো?০
এবার নড়েচড়ে বসলাম। কারণ গল্পটা "সীমানা ছাড়াতে চাই"। অন্নপুর্ণা ব্যাস ক্যাম্প এর খুটিনাটি তুলে ধরা হয়েছে। এবার প্রথম মনে হলো আমিও লেখক ফুয়াদ বীন উমর এর সাথে অন্নপুর্ণা্র দিকে হেটে যাচ্ছি। লেখকের অক্সিজেন কমে যাওয়া, মাথা ঝিম ঝিম করা ঘটনা আমাকেও মনে করে দিল ২০২০ এ কেওক্রডাং ট্রেকিং করার কথা। দার্জিলিং পাড়া থেকে ভরপেট খেয়ে হাটা শুরু করেছি ।আর মাত্র ১০ মিনিট পর কেওক্রাডাং চূড়া। হাটতে হাটতে হটাত চোখে হাজার তাড়া দেখতে লাগলাম সাথে মনে হচ্ছে মাথার ভীতরেই ঝি ঝি পোকা অনবরত দেকে চলছে। সেলাইন খেয়ে অল্প কিছু সময় বিশ্রাম করে পুনরায় শুরু করি।৫
খরচের ভয় নিয়ে যে দেশে এসেছিলাম সেখানে থাকা খাওয়া নিয়ে খরচ হলো মাত্র ছয়হাজার চারশত টাকা-"অবিশ্বাস্য মালদ্বীপ" পড়ে এই সুক্ষ বার্তাটি লেখকমাথায় ঢুকিয়ে দেয়।২.৫
কাস্মির নিয়ে মুভী দেখা হলেও কখনো বই পড়া হয় নি। "ভূসর্গ ভংকর সুন্দর" পড়ার পর সত্যজিৎ রায় এর লেখা বইটি পড়ার তীব্র আগ্রহ জন্মায়।৫
বাঙ্গালির প্রথম নোবেল জয়ী অর্মত্য সেন সম্পর্কে সংক্ষেপে জানা যায়"নোবেল জয়ীর সাইকেল" অংশটা পড়ে। অর্থাৎ এক সাইকেলেই সুইডেন ভ্রমণ গল্প শেষ।২
"একই ফ্রেমে দুই শ্ত্রু"পৌরানিক গল্প দিয়ে মিশর ভ্রমণ শেষ।০
কিছুটা তথ্য নির্ভর লেগেছে "চলতি পথের বিড়ম্বনা"। সতর্ক না হলে পৃথিবীর সব জায়গায় প্রতারনার স্বিকার হতে হয়।
আনলিমিটেড খাবার,ট্রেকিং আর নোনা জ্বলের স্বাদ নেওয়ার জন্য সময় সুযোগ পেলে "স্বপ্নিল ক্রাবি" যাওয়ার ইচ্ছা।
২য় বার কল্পনার চোখে সহযোদ্ধা কে নিয়ে তুরস্কের অলিগলিতে ঘুরছি। আর নানা রকম কাবাব এর স্বাদ নিচ্ছি। "অনন্য ইস্তাম্বুল" এই অনুভুতিটা দিয়েছে।৪
চারিদিকে সবুজ ঘাস,স্বচ্ছ পানি, পাহাড়। আমি ছুটে বেড়াচ্ছি। পিছন পিছন আমার সহযোদ্ধা।ধেড়ে গলায় গাচ্ছি ~চলো যাই চলে যাই দূর বহুদু্র~~~~~~~বাস্তবে ফেরত আসি "বার্ণিল স্টকহোম" পড়া শেষ করে।৫
পতাকায় শুধু সাদা আর সবুজের পার্থ্যক্য হলেও আর কোন কিছুতেই কোন মিল নেই। অতিথিপরায়ন হলেও স্বভাবে আমরা নোংরা জাতীই হিসেবে নিজেকে পরীচয় দিতে গর্বোবোধ করি।"নিঁখুত মানুষের দেশে" পার্থ্যক্যটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখার মতো।
October 4, 2017
বুঝ হবার পর থেকে একজন মানুষের আমি অনেক বড় ভক্ত। সেই মানুষটি হলেন ইবনে বতুতা। তার জীবনের সামান্য যতটুকু জেনছি তাতেই বুক থেকে দীর্ঘশ্বাসে বেরিয়ে এসেছে। আমার নিজের ভ্রমন ভাগ্যে কুফা থাকলেও ইচ্ছার কখনো কমতি ছিলো না। ঋত্তিক, ফারহান আক্তার অভিনিত জিন্দেগী না মিলেগি দোবারা মুভিটা বারবার দেখার একটা কারন হলো মুভির মধ্যে স্পেন দেখে চোখ জুড়ানো। সবাই যেখানে অসংখ্যবার দেখা মুভির নাম জিজ্ঞাস করলে থ্রি ইডিয়েটসের নাম বলে, সেখানে আমি বলি "জিন্দেগী না মিলেগি দোবারা"। স্কাই ডাইভিং বারবার দেখি। ইচ্ছা করে কখন যে লাফ দিবো!! কিন্তু ভ্রমনের ইচ্ছা থাকলেও ভ্রমন কাহিনী নিয়ে কখনো তেমন আগ্রহ হয় নি। ঘরে বিখ্যাত দুইটা ভ্রমন কাহিনী পরে থাকলেও ধরে দেখা হয়নি। তবে প্রথম পড়া ভ্রমন কাহিনীতেই বাজিমাত। লেখক অল্প বয়সেই বিশ্বের ৩২ টা দেশ ভ্রমন করে ফেলেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ১০ টা দেশের ১৩ টা শহরের বর্ণনা দিয়ে সাজিয়েছেন বইটা তবে বইটা শেষ করার পরে মনে হচ্ছিলো লেখক কেন সব এলাকার বর্ণনা দিলেন না! কারন লেখকের সাথে আমিও ওই শহরগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। লেখক আরেকটু বেশি লিখলে আমার আরেকটু বেশি ঘোরা হতো। ভ্রমন কাহিনী গুলো এলাকা ভিত্তিক ছোটছোট গল্পে বিভক্ত। নামগুলোও চমৎকার।
★কলম্বো থেকে এল্লা
★সীমানা ছাড়াতে চাই
★অন্নপূর্ণার কোলে (এটা পড়ার পরে ঘরে থাকা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।)
★ ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর সুন্দর
★ অনন্য ইস্তানবুল
★ বর্ণিল স্টকহোম
গল্পগুলোর মধ্য দিয়ে শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, মালদ্বীপ, ভারত, সুইডেন, মিশর, থাইল্যান্ড, তুরষ্ক আর জাপানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। বইয়ের এক একটা অধ্যায় এক একটা নতুন জগত খুলে দেবে পাঠকের সামনে। মুগ্ধ হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের রূপের বর্ণনা পড়বেন। লেখকের লেখার ধরনে একঘেয়ে লাগার কোনো সুযোগ ছিলো না। মনে হচ্ছিলো আমি লেখকের সামনে চোখ বুজে বসে কল্পনা করছি আর লেখক আমার সামনে বসে গল্প বলছে। কোথাও কোথাও লেখকের অভিজ্ঞতা পড়ে হা হা করে হেসেছি। কেউ যদি মনে করেন ভ্রমন কাহিনী পড়তে হয়ত বোরিং লাগবে, তাদের জন্য বলি; আমিও এমন ভেবেই এতদিন ভ্রমন কাহিনী পড়ি নাই। ভ্রমনের গল্পের পাশাপাশি লেখন কিছু ইতিহাসও বর্ণনা করেছেন। বলেছেন পৌরাণিক কাহিনী। নিজের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন।
ইতিহাস কি! ইতিহাসের বই পড়ে কি মজা! এটা বুঝেছিলাম হুমায়ূন আহমেদের "বাদশাহ নামদার" পড়ে। ভ্রমন কি! ভ্রমন কাহিনী পড়ে মজা কি! এটা বুঝলাম ফুয়াদ ভাইয়ে "ইতিউতি হাঁটাহাঁটি" পড়ে।
এবার একটু বইয়ের কোয়ালিটি নিয়ে বলি। বইয়ের কাগজ, বাইন্ডিং কভার সব ছিলো দেখার মত। বইয়ের শেষে ছবিগুলো ছিলো কল্পনার সাথে বাস্তবতার আচড়। এমন একটা বই এত কম দামে কিভাবে দিলেন প্রকাশক সেটা ভেবে অবাক হচ্ছি।
বহুদিন ধরে রিডার্স ব্লকে থাকার পরে বইটা এক নিমিশে শেষ করলাম। লেখকের কাছে কৃতজ্ঞ। আর অনুরোধ থাকবে পরবর্তী ভ্রমন কাহিনীটা একটু তারাতারী আনবেন। সবশেষে লেখককে মনের গভীর থেকে জানাই "আরিগাতো গোজাইমাস"।
"As long as this exists, this sunshine and this cloudless sky, and as long as I can enjoy it, how can I be sad?"
- Anne Frank, The Diary of a Young Girl
★কলম্বো থেকে এল্লা
★সীমানা ছাড়াতে চাই
★অন্নপূর্ণার কোলে (এটা পড়ার পরে ঘরে থাকা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।)
★ ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর সুন্দর
★ অনন্য ইস্তানবুল
★ বর্ণিল স্টকহোম
গল্পগুলোর মধ্য দিয়ে শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, মালদ্বীপ, ভারত, সুইডেন, মিশর, থাইল্যান্ড, তুরষ্ক আর জাপানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। বইয়ের এক একটা অধ্যায় এক একটা নতুন জগত খুলে দেবে পাঠকের সামনে। মুগ্ধ হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের রূপের বর্ণনা পড়বেন। লেখকের লেখার ধরনে একঘেয়ে লাগার কোনো সুযোগ ছিলো না। মনে হচ্ছিলো আমি লেখকের সামনে চোখ বুজে বসে কল্পনা করছি আর লেখক আমার সামনে বসে গল্প বলছে। কোথাও কোথাও লেখকের অভিজ্ঞতা পড়ে হা হা করে হেসেছি। কেউ যদি মনে করেন ভ্রমন কাহিনী পড়তে হয়ত বোরিং লাগবে, তাদের জন্য বলি; আমিও এমন ভেবেই এতদিন ভ্রমন কাহিনী পড়ি নাই। ভ্রমনের গল্পের পাশাপাশি লেখন কিছু ইতিহাসও বর্ণনা করেছেন। বলেছেন পৌরাণিক কাহিনী। নিজের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন।
ইতিহাস কি! ইতিহাসের বই পড়ে কি মজা! এটা বুঝেছিলাম হুমায়ূন আহমেদের "বাদশাহ নামদার" পড়ে। ভ্রমন কি! ভ্রমন কাহিনী পড়ে মজা কি! এটা বুঝলাম ফুয়াদ ভাইয়ে "ইতিউতি হাঁটাহাঁটি" পড়ে।
এবার একটু বইয়ের কোয়ালিটি নিয়ে বলি। বইয়ের কাগজ, বাইন্ডিং কভার সব ছিলো দেখার মত। বইয়ের শেষে ছবিগুলো ছিলো কল্পনার সাথে বাস্তবতার আচড়। এমন একটা বই এত কম দামে কিভাবে দিলেন প্রকাশক সেটা ভেবে অবাক হচ্ছি।
বহুদিন ধরে রিডার্স ব্লকে থাকার পরে বইটা এক নিমিশে শেষ করলাম। লেখকের কাছে কৃতজ্ঞ। আর অনুরোধ থাকবে পরবর্তী ভ্রমন কাহিনীটা একটু তারাতারী আনবেন। সবশেষে লেখককে মনের গভীর থেকে জানাই "আরিগাতো গোজাইমাস"।
"As long as this exists, this sunshine and this cloudless sky, and as long as I can enjoy it, how can I be sad?"
- Anne Frank, The Diary of a Young Girl
December 8, 2017
“Traveling- it leaves you speechless, then turns you into a storyteller.” Ibn Battuta
কে জানে, ঘুরতে গিয়ে লেখক হয়তো পৃথিবীর সৌন্দর্যে সত্যি সত্যিই বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! কিন্তু “ইতিউতি হাঁটাহাঁটি” পড়ার সময় সেটা একদমই বোঝা যাবে না। কারণ তো ইবনে বতুতা বলেই গেছেন, "...then turns you into a storyteller." ফুয়াদ বিন ওমর অসাধারণভাবে তার ভ্রমণের গল্প বলেছেন। আর তাই আমরা পেয়েছি এরকম একটা ভ্রমণকাহিনী।
লেখক ১০ টা দেশের ১৩ টা শহরের ভ্রমণকাহিনী দিয়ে সাজিয়েছেন বইটা। তারিখের ক্রমবিন্যাস না থাকলেও বইটা শুরু হয়েছে শ্রীলংকা সফর দিয়ে এবং শেষ হয়েছে জাপান ভ্রমণের গল্প দিয়ে। শ্রীলংকা-জাপান ছাড়াও বলেছেন নেদারল্যান্ডস, নেপাল, মালদ্বীপ, ভারত, সুইডেন, মিশর, থাইল্যান্ড আর তুরস্ক ভ্রমণের বিভিন্ন ঘটনা।
বইয়ের এক একটা অধ্যায় এক একটা নতুন অভিজ্ঞতার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে। লেখক আপনাকে নিয়ে যাবে পৃথিবীর নানা প্রান্তে। আপনি মুগ্ধ হয়ে পড়বেন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের রূপের বর্ণনা। সাথে বিভিন্ন জায়গার মজার কিছু তথ্য এবং ইতিহাস জানতে পারবেন। ইতিহাসগুলো মোটেও কাঠখোট্টাভাবে লেখা হয় নি। মূলত পুরো বইটাই হাস্যরসাত্বক, সাবলীল। একদম গুরুগম্ভীর মানুষকেও ভ্রমণের নানা ঘটনা হাহা করে হাসতে বাধ্য করবে।
এক কথায় “ইতিউতি হাঁটাহাঁটি” চমৎকার একটা বই।
ভ্রমণকাহিনী পড়তে আমার সবসময়ই ভালো লাগে। চুপচাপ বসে বসে কত দেশ বিদেশে ঘোরা যায়! লেখক হয়তো সুন্দর কোন দৃশ্যের বর্ণনা দিচ্ছেন আর আমি কল্পনায় সে দৃশ্য দেখছি। মাঝেমাঝে মনে হয় আমি হয়তো লেখকের সাথেই দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি। কোন রকম কষ্ট ছাড়া ঘুরে বেড়াতে কার না ভালো লাগে!
পড়ার জন্য ধন্যবাদ
কে জানে, ঘুরতে গিয়ে লেখক হয়তো পৃথিবীর সৌন্দর্যে সত্যি সত্যিই বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! কিন্তু “ইতিউতি হাঁটাহাঁটি” পড়ার সময় সেটা একদমই বোঝা যাবে না। কারণ তো ইবনে বতুতা বলেই গেছেন, "...then turns you into a storyteller." ফুয়াদ বিন ওমর অসাধারণভাবে তার ভ্রমণের গল্প বলেছেন। আর তাই আমরা পেয়েছি এরকম একটা ভ্রমণকাহিনী।
লেখক ১০ টা দেশের ১৩ টা শহরের ভ্রমণকাহিনী দিয়ে সাজিয়েছেন বইটা। তারিখের ক্রমবিন্যাস না থাকলেও বইটা শুরু হয়েছে শ্রীলংকা সফর দিয়ে এবং শেষ হয়েছে জাপান ভ্রমণের গল্প দিয়ে। শ্রীলংকা-জাপান ছাড়াও বলেছেন নেদারল্যান্ডস, নেপাল, মালদ্বীপ, ভারত, সুইডেন, মিশর, থাইল্যান্ড আর তুরস্ক ভ্রমণের বিভিন্ন ঘটনা।
বইয়ের এক একটা অধ্যায় এক একটা নতুন অভিজ্ঞতার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে। লেখক আপনাকে নিয়ে যাবে পৃথিবীর নানা প্রান্তে। আপনি মুগ্ধ হয়ে পড়বেন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের রূপের বর্ণনা। সাথে বিভিন্ন জায়গার মজার কিছু তথ্য এবং ইতিহাস জানতে পারবেন। ইতিহাসগুলো মোটেও কাঠখোট্টাভাবে লেখা হয় নি। মূলত পুরো বইটাই হাস্যরসাত্বক, সাবলীল। একদম গুরুগম্ভীর মানুষকেও ভ্রমণের নানা ঘটনা হাহা করে হাসতে বাধ্য করবে।
এক কথায় “ইতিউতি হাঁটাহাঁটি” চমৎকার একটা বই।
ভ্রমণকাহিনী পড়তে আমার সবসময়ই ভালো লাগে। চুপচাপ বসে বসে কত দেশ বিদেশে ঘোরা যায়! লেখক হয়তো সুন্দর কোন দৃশ্যের বর্ণনা দিচ্ছেন আর আমি কল্পনায় সে দৃশ্য দেখছি। মাঝেমাঝে মনে হয় আমি হয়তো লেখকের সাথেই দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি। কোন রকম কষ্ট ছাড়া ঘুরে বেড়াতে কার না ভালো লাগে!
পড়ার জন্য ধন্যবাদ
September 2, 2017
"বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি।
দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী"
ভ্রমনে যাওয়া যতটা আনন্দের ভ্রমন কাহিনী পড়া ঠিক ততটাই বিরহের, বারবার মনে হবে পৃথিবীটা এত বড়? এত সুন্দর? কবে সুযোগ আসবে এসব জায়গায় যাবার? কত দেশেই না লেখক গিয়েছেন কত দেশের মানুষ আর সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখেছেন আবার সেগুলোর সাবলীল বর্ণনা লেখা দিয়ে তুলে ধরেছেন। পাহাড়, বন, সমুদ্র, মরুভূমি, মালভূমি প্রকৃতির সব রুপেরই কিছু না কিছু বর্ণনা আছে বইটাতে। প্রকৃতির বর্ণনার মাঝে মাঝে উঠে এসেছে ভ্রমনকালীন ঝক্কিঝামেলার টুকরো গল্প। সব মিলিয়ে ইতিউতি হাঁটাহাঁটি ভ্রমনপিপাসুদের জন্য অবশ্যপাঠ্য।
দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী"
ভ্রমনে যাওয়া যতটা আনন্দের ভ্রমন কাহিনী পড়া ঠিক ততটাই বিরহের, বারবার মনে হবে পৃথিবীটা এত বড়? এত সুন্দর? কবে সুযোগ আসবে এসব জায়গায় যাবার? কত দেশেই না লেখক গিয়েছেন কত দেশের মানুষ আর সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখেছেন আবার সেগুলোর সাবলীল বর্ণনা লেখা দিয়ে তুলে ধরেছেন। পাহাড়, বন, সমুদ্র, মরুভূমি, মালভূমি প্রকৃতির সব রুপেরই কিছু না কিছু বর্ণনা আছে বইটাতে। প্রকৃতির বর্ণনার মাঝে মাঝে উঠে এসেছে ভ্রমনকালীন ঝক্কিঝামেলার টুকরো গল্প। সব মিলিয়ে ইতিউতি হাঁটাহাঁটি ভ্রমনপিপাসুদের জন্য অবশ্যপাঠ্য।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews









