Jump to ratings and reviews
Rate this book
Rate this book
‘बकुल कथा’ उपन्यास भारतीय ज्ञानपीठ द्वारा प्रकाशित ‘सुवर्णलता’ उपन्यास की अगली और अन्तिम कड़ी है। ज्ञानपीठ पुरस्कार से सम्मानित प्रख्यात बंग्ला कथाकार श्रीमती आशापूर्णा देवी ने इस उपन्यास में शताब्दी के आधुनिकतम चरण के सामाजिक इतिहास के विविधरंगी आचार-विचार, व्यवहार और युग के संघर्ष से उत्पन्न विसंगतियों का जिस रूप में चित्रण किया है वह अदभुद और दुर्लभ है। जिन पाठकों ने ‘सुवर्णलता’ को पढ़ा है वे जानते हैं कि अन्त तक लायी गयी है उसके अगले चरण से परिचय प्राप्त किये बिना न तो युग-बोध ही प्राप्त होगा और न ही वर्तमान के बदलते हुए सामाजिक परिवेश से साक्षात्कार ही हो सकेगा।

‘बकुल कथा’ का संसार अनोखा है, जिसका तादात्म्य हज़ारों-हज़ार पाठक अपने जीवन में और अपने आसपास के क्षेत्रों में आसानी से खोज लेते हैं। आशापूर्णा देवी की लेखनी इस उपन्यास में ऐसे चरित्र भी उद्भूद हुए हैं जो जीवन की स्वच्छन्द हवा में विचरण करते है, अनेक सीमाएँ तोड़ते हैं और आगे के किसी भी विरोध को मानने के लिए तैयार नहीं होते।
वास्तव में प्रस्तुत उपन्यास के सौध के हर कंगूरे पर एक-एक दीपक प्रज्वलित है, जिसका प्रकाश परिवेश को आलोकित करता है। और उन दीपकों के नीचे का अँधेरा (?), शायद उसे लेखिका ने स्वयं ही अपनी सहानुभूति में समो लिया है।
जिन पाठकों ने आशापूर्णा देवी का ‘सुवर्णलता’ उपन्यास पढ़ा है, उनके लिए ‘बकुल कथा’ पढ़ना एक अनिवार्यता है।
प्रस्तुत है कालजयी कथाकार के ‘बकुल कथा’ उपन्यास का यह नवीनतम संस्करण।

407 pages, Paperback

First published March 1, 1973

Loading interface...
Loading interface...

About the author

Ashapurna Devi

105 books121 followers
Ashapurna Devi (Bengali: আশাপূর্ণা দেবী), also Ashapoorna Debi or Asha Purna Devi, is a prominent Bengali novelist and poet. She has been widely honoured with a number of prizes and awards. She was awarded 1976 Jnanpith Award and the Padma Shri by the Government of India in 1976; D.Litt by the Universities of Jabalpur, Rabindra Bharati, Burdwan and Jadavpur. Vishwa Bharati University honoured her with Deshikottama in 1989. For her contribution as a novelist and short story writer, the Sahitya Akademi conferred its highest honour, the Fellowship, in 1994.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
139 (33%)
4 stars
126 (30%)
3 stars
114 (27%)
2 stars
27 (6%)
1 star
8 (1%)
Displaying 1 - 25 of 25 reviews
Profile Image for ~Rajeswari~.
151 reviews30 followers
March 7, 2022
“সত্যবতী” ট্রিলজির শেষ বই “বকুলকথা”র নায়িকা সত্যবতীর নাতনি সুনামধন্য লেখিকা বকুল।মা দিদিমার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তার নিজের জীবনটাও কাহিনীকাব্যে ভরপুর।মুখচোরা বকুল থেকে সাহসী লেখিকা অনামিকা হয়ে ওঠার পথটা কঠিন হলেও ততদিনে যে দেয়ালভাঙ্গার সূচনা হয়েছিল।তাই বোধহয় লেখিকা বলেছেন যে একদল দেয়ালে মাথা কুটে মরে আর একদল এসে দেয়ালটা ভাঙ্গে।
যে স্বাধীনতার জন্য বকুলের মা দিদিমা সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন সেই স্বাধীনতা পেয়ে এযুগের মেয়েরা তাকে স্বেচ্ছাচারের সাথে গুলেয়ে ফেলছে কিনা এ প্রশ্ন একদম এই উপন্যাসের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে।
নমিতা,রেখা,মাধুরী এরা প্রত্যেকেই আমাদের চারপাশে সবখানে ছড়িয়ে আছে।নিজেদের গল্প বুঁনে চলেছে আজীবন।
বকুলের প্রথম জীবনের না পাওয়া ভালোবাসা যেন লেখিকা শম্পার মাধ্যমে সম্পূর্ণ করেছেন।একেবারে অ্যান্টিস্টোরি পদ্ধতিতে।এটা বকুলের কাহিনীও তো হতে পারতো!সেই নির্মল-বকুলের যে সাহসহীনতা তাদের সারাজীবন কাঁদিয়েছে,সেই পথে শম্পা-সত্যবান এগোয়নি।
সবার শেষে এটা বলতেই হয় যে ৩পর্বের একটা মাস্টারপিসের সুন্দর সমাপ্তি টেনেছেন আশাপূর্ণা দেবী।বাংলা সাহিত্য প্রেমীদের জন্য মাস্ট রিড।
Profile Image for Denim Datta.
371 reviews19 followers
September 27, 2014
সত্যবতী - সুবর্ণলতা - বকুল : তিন প্রজন্ম
প্রথম প্রতিশ্রুতি - সুবর্ণলতা - বকুলকথা : তিন উপন্যাস

সত্যবতীর অগ্নিসম বিদ্রোহিনী রূপ থেকে যাত্রা শুরু করে সুবর্ণলতার চাপা আকাঙ্ক্ষার পথ ধরে বকুলের সময়ে সনাতনী যুগের অবসান প্রাঙ্গনে এসে সমাপ্ত আশাপূর্ণা দেবীর এই ট্রিলজি উপন্যাস|

সুবর্ণলতার নারীমুক্তির আকাঙ্ক্ষা তার মেয়ে বকুলের জীবনে রূপ পেয়েছে, যে অনামিকা দেবী নামে লেখিকা| আর বকুল এসে দাড়িয়েছে যুগ পরিবর্তনের সীমারেখায়| আর এই উপন্যাসমালার শেষ খন্ডে এই প্রশ্নই বড় হয়ে উঠেছে - স্বাধীনতা ও স্বেচ্ছাচার এই দুইয়ের সীমারেখা কোথায়? সে সীমারেখার অন্বেষাই বকুলকথা উপন্যাসের মূল উপজীব্য|

এত অপূর্ব লেখা, শেষ হওয়ার পরেও কিছুক্ষণ বইটা হাতে নিয়ে বসে ছিলাম| শেষ হয়েও শেষ না হওয়ার এক অবর্ণনীয় অনুভূতি রেখে গেলো|

পুরো series টার জন্যই বলছি, 5 তারার বাঁধনে একে বাঁধবার নয়|
Profile Image for Israt Zaman Disha.
192 reviews423 followers
Read
January 22, 2018
DNF at 50%

সিরিজটা ভালোই চলতেসিল। কিন্তু এত টানা ঠিক হয় নাই। আর পড়তে পারতেসিনা।
Profile Image for Bookish Veenita.
74 reviews6 followers
September 24, 2016
Ashapurna Devi (1909-1995) was among those women who with their sheer will power had broken through many a social obstacles and superstitions. That is the reason that even without any conventional education she has been given an eminent position in the history of Bengali literature. She was born in a family which considered female education as a scandalous thing. Her grandmother who was a staunch opposer of female education had barred little Ashapurna from touching books. But that proved quite useless as Ashapurna was intelligent enough to learn her alphabets from her elder brothers’ books and it was her mother who helped her, who happened to be a very liberal woman and an education enthusiast.

The real education, however, began when her father left the joint family of her grandmother’s home to their own residence. She had much more liberty then. She read to her heart’s content. Although she has written only due to no t having any graduation degree. Even in her later life she was just a common housewife staying in her home and taking care of her husband and children. Perhaps that was the reason she could write about a female mind and heart so well. Her writings essentially carries the flavour of Women Literature. They lay threadbare the oppression women have to face and made a fervent appeal for a new social order though not subscribing to the modern theoretical feminism of western mode.

Bakul Katha is the third part of Ashapurna Devi’s magnum opus Gyanpith Award winner trilogy “Pratham Pratishruti”( roughly translated as The First Promise) ; the second part is known as “Subarnalata”. These three books are journeys and silent battles of three generations. Three different women fight for their rights of free will. The three heroines are Satyabati, Subarnalata and Bokul Lata respectively. The first is the maternal grandmother Satyabati protesting against the early marriage of her daughter Subarnalata and after failing she leaves her husband’s home with a broken heart, second Subarnalata is the young girl married to a family where every aspect of female liberty is a taboo. So with a very stern mother-in-law and an unsupportive husband she is forced to be a cross between house-maid and a child production machine but fighting silently all the way.

In the third book we see Subarnalata’s youngest daughter Bokul is an accomplished authoress under the name Anamika Devi. She had remained unmarried throughout her life and committed herself to literary pursuit basking in the glory of the long awaited freedom of feminine will that her mother and grandmother had craved for. She has education, fame, money, well deserved reputation. But is she happy? No she is not. She feels too much westernization is diluting the new generation. The free will has taken a different meaning, they are unable to distinguish between good ways and bad ways. Ashapurna has reprimanded the society for this.

The book is a full of points and counterpoints that would make you think what is good for us and the society? She also had foreseen that there would be rifts between close relationships and that would led to divorce between couples and estrangements between parents and children. That is a prevalent crisis in our contemporary society isn’t it?

The book is potent with autobiographical elements. Bokul’s grandmother reflects Ashapurna Devi’s own grandmother and Subarnalata is her own mother Saralabala Devi and needless to say Bokul is the representation of herself.

A must read book for all. 5 stars well deserved.




Profile Image for Nishat Monsur.
90 reviews
June 16, 2021
সিরিজের প্রথম দু'টো বইয়ের কারণে এই বইটির প্রতি আশা একটু বেশিই ছিল। সেই আশা থেকে মনে হল খানিকটা হতাশ হলাম। নামে বকুলকথা হলেও গল্পটা আরো অনেকের, প্রথম প্রতিশ্রুতি বা সুবর্ণলতার মতো নাম ভূমিকার মানুষের অনেকটাই যেন নেই এতে। এরকম সিরিজ আকারে আসা বইগুলোতে সম্ভবত এই-ই হয়, অনেকটা প্রত্যাশার চাপে পড়ে লেখা মনে হয়, মনে হয় অপ্রয়োজনে কলেবরে বড়ো হচ্ছে গল্প অথচ লেখার তেমন কিছু নেই।

তবে একটা দারুণ দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে গল্পটিতে। একেবারে পুরোনো সংস্কার আর আধুনিকতার ঢেউ- দু'টোই দেখেছে যে প্রজন্ম, তাদের মধ্যকার টানাপোড়েনটা সুন্দর উঠে এসেছে এই বইয়ে। কতটুকু আধুনিকতাকে মেনে নেব আর কতটুকু থাকবো সংস্কারের মধ্যে, এই দ্বন্দ্বটার জন্য হলেও বইটা পড়ার প্রয়োজন আছে মনে করি।

শেষটা যেন একদম হুট করে, খাপছাড়া। বেশ কিছু ছন্দপতনের জন্য তাই এই বিখ্যাত ট্রিলজির শেষ অংশের জন্য তিন তারা।
93 reviews13 followers
February 12, 2017
কিছু লেখার আগে বলে নিই, এই বই পড়ার যোগ্যতাই আমার হয় নি। কারণ আমি সমাজের এক শ্রেণীর প্রতিনিধি। আমি পুরুষ। দ্বিতীয়ত আমি বকুল ফুল বকুল সোনা দিয়া হাত কেন বান্ধাইলি শুনি। আমি পুরুষ।
বইটি পড়ে তাই শেষ করতে পারিনি। সম্ভবত মেয়েদের নারীদের এই বইটি পড়ে বেশ ভালো লাগবে। চোখটা যে অনামিকা দেবীর। যে অনামিকা দেবী ঘরেই থাকেন। তার জগতটা সেই শম্পা, তার পারুল দেবী, সম্বর্ধনা এর মাঝেই। মনকে তিনি জগত ঘুরিয়ে নিয়ে আসেন তার কলম দিয়ে-কিন্তু দিনশেষে তিনি সেই বন্দীই। বড়দার রক্তচক্ষু তার আজো মনে পড়ে-শম্পা কে দিয়ে তিনি তার উত্তরাধিকারের প্রতিশোধ তুলেন। মনটা তাই সংশ্লেষ বিশ্লেষ করতে পারেনা। আমিতো কালবেলা, কালপুরুষের পাঠক। আমি তো রাস্তায় হাটতে হাটতে স্যান্ডেল ক্ষয়ে ফেলা পুরুষের প্রতিনিধি।
আমি সেই আপুর কথা কিভাবে বুঝব। পায়ের ব্যাথা সহ্য করে যে হাটতে থাকে। হাটার বিষয়টাই যে তার কাছে নতুন। যেমন নতুন আড়াই বছরের বাচ্চার কাছে-বইমেলার ফুটপাতে বাবার হাত ধরে হেটে যাওয়াটা। আমি তো বুঝি উঠিনা-কেন সেই আপু এত অসীম কোলাহলের মাঝে একা একা রুমে বসে কাঁদেন। তাই হয়তো বইটি পড়ে শেষ করতে পারলাম না।
তবে একনিষ্ঠ নারী, বা যারা হৃদয়কে বুঝেন, মানেন এবং দিকনির্ধারন করতে পারেন। তারা পড়তে পারেন। আগে থেকে সুবর্নলতা পড়া থাকলে তো কথা ই নেই।
“ আমি কি লিখতে পারিনা-আমাদের প্রেমের কথা, নানা ছলে নানা রঙ্গে নানা পরিবেশের মাধ্যমে। রেণু র��ণু করে মিশিয়ে ফুল করে তুলতে পারিনা? কিন্তু করিনা। কেন জানিস তুই যে মাটির পুতুলকে হৃদয় দান করে বসে আসিস। সেই মাটির পুতুল আজো পাত্রীর সন্ধানে”
সনতকাকা দেখতো তোমার পাঠক তোমার মত করে চিঠি নিবেদন করতে পেরেছে কিনা?
Profile Image for Indian.
86 reviews28 followers
March 16, 2013
A winner all the way, a true classic!

The last of the trilogy (Pratham Pratishruti was first & Subarnalata was second) & Asha Purna is at her usual best. The master-author paints the canvas with her strokes with as ease as she did in the earlier two books,

Such nuanced understanding of the human pysche, coming from a women-writer is a rarity in Indian publishing scene. And to believe that this book was penned around 1975. It seems as relevant as today.

It kind of resonates as her own biography- I am sure her being a successful writer must have forced her to write personal experiences of Anamika Devi the name Bakul uses as an author.


I would like to re-read it again, the entire series again.
Profile Image for Gopa Bhattacharjee.
6 reviews3 followers
November 14, 2021
Review of Bakul Katha- Tale of the emancipated women translated by Lopamudra Banerjee

Bakul Katha- This novel is the last part of the trilogy written by the award winning author of Bengal,  Ashapurna Devi.  I read the original book written by her in Bengali during my college days. The interwoven trilogy with a strong, liberating tone, focused on the journeys of women belonging to three distinct generations still keeps me in awe. All the three novels Pratham Pratisruti (The First Promise), Subarnalata and Bakul Katha strongly bring to the forefront- the society, culture, women's position and family life from different eras.

This book Bakul Katha- Tale of the emancipated women translated by Lopamudra Banerjee has a long interesting tale in itself. When the author, who is a very dear friend, gave me the news of her getting translating rights of this book, I was excited as well as curious that while the first two were translated into English already, why the third one remained untouched for so many years. I guess it was waiting for a mature translator to justify it. Lopamudra Banerjee did it with full justification.

The theme of this book is quite complex as the original author was desperate to communicate the message of women empowerment and its effect on the modern generation. Lopamudra Banerjee did it with such ease and sincerity. The best part is the language used during translating the entire text was coherent. Often while translating the translator cannot justify the feel and style of the original book. But here Lopamudra Banerjee has excelled in keeping the exact essence.  

The entire book along with the cover page has a class of its own. This is a gem in the world of translation and will definitely help students in their research work. Lopamudra Banerjee has been able to amalgamate two different languages into one communicative thought. A must read for all book lovers and children of today’s generation who shrink to read the gems of regional literature in their own mother tongue.

 

Gopa Bhattacharjee 

1 review1 follower
October 6, 2021
It’s my great pleasure to write a review to Lopa Banerjee’s latest book of translation “Bakul katha” Tale of emancipated woman , of the main novel by the same name by renowned and acclaimed writer Ashapurna Devi in Bengali. This book is contemporary, relevant and interestingly resonates with today’s woman when they read about the journey of women in patriarchal times , their pain suffering , emotional traumas they had to live with . It’s absolutely commendable and courageous of Lopa to take this arduous project to match the brilliance of masterpiece by such a great writer and I must say her work is truly praiseworthy. It’s not an easy feat by any standards.
The story of Bakul katha is all about the rebellious, awakened Bangali woman who goes through oppression, resistance and challenges celebrating womanhood breaking the shackles.
Lopa’s easy flow of language in her narratives made me feel like watching a visual through the story . Being a Bengali it was delightful to read some of the hum-drums of bengali household which appeared so relatable.
The language is lucid and creates an instant connect with the reader . I thank her profusely to have translated it in English or else I would have never been able to read it ( not knowing the Bengali script unfortunately inspite of being a bong )
A great read and I recommend this novel highly.
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Shotabdi Bhattacharjee.
396 reviews38 followers
August 31, 2020
আধুনিকতার সাথে সাথে জটিলতা বাড়ে। প্রথম প্রতিশ্রুতি কিংবা সুবর্ণলতার চেয়ে তাই বকুল কথার প্লট অনেকটা জটিল।
এখানে ঠিক এক রৈখিক একটি চরিত্র নিয়েই গল্প এগোয়নি। এগিয়েছে নানান ধাঁচে। আর বকুল নায়িকা হলেও তার সক্রিয় চিন্তা তার মা-দিদার মতো নয়। সত্যবতী-সুবর্ণলতার পর তাদের সত্যিকার উত্তরাধিকারী চরিত্র-দৃঢ়তা-মানসিকতায় পারুল। এবং তার ও পরে শম্পা। শম্পা অবশ্য সুবর্ণলতার ছোট ছেলের মেয়ে।
পারুলের সন্তান না। তবে সত্যবতীর বৈশিষ্ট্য ওই খাতেই প্রবাহিত হয়েছে।
এক্ষেত্রে বকুল যেন অনেকটা অবজার্ভার। বকুল ওরফে অনামিকা দেবী একজম স্বনামধন্য লেখিকা।
নিজ জীবন এবং পাশাপাশি আরো নানান মেয়েদের জীবনকে উপজীব্য করেই তার সাহিত্যসাধনা। বকুল কথায় তাই ছাপ রেখে যায় একই সাথে অতীত এবং আধুনিক।
বকুলের বেড়ে উঠা ঠিক যুগসন্ধিক্ষণে।
Profile Image for Sheikh Marzia Amin.
45 reviews1 follower
February 28, 2021
সত্যবতী থেকে শুরু করে বকুল পর্যন্ত এই গল্পের প্রত্যেক নারীর জীবন কতটা ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে দিয়েই কেটে গেছে এই গল্প তার প্রমাণ, সত্যবতী অতি তিব্র হলেও সুবর্ণলতা তার মতো হতে পারে নি কিন্তু বকুল ঠিকই তার অতীত থেকে দেখা অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে দেখেছে এবং নারী মুক্তি কতটা ভয়াবহ বা নিরাপদ হয়েছে তার কথা বক্ত করেছে সত্যবতী ট্রিলজি শেষ ধাপে। তবে এখনো এটাই সবচেয়ে বেশি গুরত্বপূর্ণ কথা আসলেই স্বাধীনতা এবং স্বেচ্ছাচারী সীমা কোথায় ?
July 5, 2021
আশাপূর্ণা দেবীর "সত্যবতী ট্রিলজি" তিন প্রজন্মের নারীর আখ্যান। এর শেষ উপন্যাস "বকুলকথা" তে উঠে এসেছে সুবর্ণলতার ছোট মেয়ে বকুল ওরফে অনামিকা দেবীর জীবনালেখ্য।

"বকুলের ছদ্মবেশটা অনেকেই পাচ্ছে, হয়ত আরও অনেকে পাবে। সেখানে কত ঔজ্জ্বল্য, কত সমারোহ। কিন্তু ছদ্মবেশ যখন খুলে রাখে বকুল, কি নিঃস্ব, কি দীন, কি দুঃখী। কিন্তু শুধু কি একাই বকুল? কজনের জীবনে ভিতর বাহির সমান উজ্জ্বল?"

বকুলের জীবনটাও ঠিক তেমনই ছদ্মবেশ কিংবা আপন সত্ত্বার গণ্ডিতে আবদ্ধ ; কিংবা এও বলা ভালো, অনামিকা দেবীর জীবন। অনামিকা দেবীর জীবনে বকুল শুধুমাত্র একখানা বন্ধ খাতার নামমাত্র, যে খাতাটির সন্ধান করতে আকুল অনুরোধ করেছিলেন বকুলের পিঠেপিঠি বয়সের সেজদি পারুল। কিন্তু জীবনে যে খাতা বা অধ্যায়টি অনেক অপমান ও ক্লেশের সম্মুখীন হয়ে বন্ধ হয়, তা কি সহজে খোলে?

"পরিবর্তন মানেই তো জীবন! যা অনড় অচল অপরিবর্তিত, সেখানে জীবনের স্পন্দন কোথায়? অচলায়তনের মধ্যেই মৃত্যুর বাসা!"

যান্ত্রিকতাময় ব্যস্ত জীবন ও আমিত্বের কঠিন নাগপাশে নিজেকে জড়িয়ে রেখে বকুল ওরফে অনামিকা দেবী নিজেও খোলেননি সে খাতাটি, কিংবা এও বলা ভালো, অনামিকা দেবী নামক গালভরা নামটির আচ্ছাদনে তিনি মুড়িয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন সেই সাধারণ, বোকাবোকা চেহারার ভীতু বকুলকে, কষ্ট না পেতে দেয়ার "অভিপ্রায়েই" হয়ত তাকে আজীবন কুমারীত্বের ভার বহন করতে হয়েছিলো স্বেচ্ছায়।

উপন্যাসে তৎকালীন সময়ের এক আলোচিত লেখিকা হিসেবে অনামিকা দেবীর লেখনীতে উজ্জ্বল হয়ে উঠে এসেছে একের পর এক চরিত্র এবং সমাজের নানান বাস্তবতার দিক। একইসাথে তার পারিপার্শ্বিকতায়ও বিমূর্ত হয়ে উঠেছে বেশকিছু চরিত্রেরা, যাদের কেউ কেউ তাদের মননশীল ও মুক্তমনা চিন্তাচেতনার মাধ্যমে নিজেদের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে দৃষ্টান্ত গড়েছে (যেমন বকুলের ভাতিজি শম্পা); অপরদিকে কেউ কেউ তাদের উগ্র মানসিকতা ও আচরণের মাধ্যমে আধুনিকতার পরাকাষ্ঠায় মাতোয়ারা হয়েছে (যেমন বকুলের ভাতিজা অপূর্বর মেয়ে সত্যভামা)। আর এরকম অনেক চরিত্রের ভীড়ে বকুলের চিন্তাশীল চরিত্রটি দুঃখজনকভাবে অতটা আলো ছড়াতে পারেনি, যতটা ছড়িয়েছিলেন তার দিদা সত্যবতী এবং মা সুবর্ণলতা।

সত্যবতীর নাতনী এবং সুবর্ণলতার মেয়ে হিসেবে আশা করেছিলাম যে বকুলের মাঝে কিছুটা হলেও তাদের চিন্তাচেতনার সুস্পষ্ট ছাপ খুঁজে পাব। বকুলের আত্মসম্মানবোধ এবং ব্যক্তিত্ব প্রশংসনীয় তাতে কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু তার চিন্তাধারায় আমি সেই প্রদীপ্ত ও প্রত্যক্ষ চেতনাটি খুঁজে পাইনি, যা তার মা ও দিদার মাঝে বিদ্যমান ছিলো। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সুবর্ণলতার নাতনি হিসেবে শম্পা সেই শূন্যস্থানটি সফলভাবে পূর্ণ করেছে।

বকুল তার মা ও দিদিমার তুলনায় অনেকটাই নিষ্প্রভ হলেও মা সুবর্ণলতার মাঝে লিখনশৈলীর যে সৃজনশীলতা গড়ে উঠেছিলো, তা সে নিজের ��াঝে ধারণ করেছে; এককথায়, বকুল সুবর্ণলতাকে পরিপূর্ণ করে এনেছে অনামিকা দেবীর মাধ্যমেই। আর এখানেই তার সার্থকতা।

একজন লেখিকা হিসেবে বাস্তবিকই অনামিকা দেবী সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রকে তুলে এনেছেন, কিন্তু সেই একই সমাজের অসঙ্গতিপূর্ণ ক্ষেত্র থেকে উত্তরণের মুক্তির পথটি তিনি দেখিয়ে যেতে পারেননি। অতীত ও বর্তমানের মধ্যকার সেতুবন্ধন হিসেবে বকুল তথা অনামিকা দেবীর ভূমিকা ছিলো একজন চিন্তাশ���ল পর্যবেক্ষক হিসেবেই মাত্র।

পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে অনামিকা দেবীর সময়কার যুগে আধুনিকতা এসেছে ঠিকই, কিন্তু আধুনিকতার সেই ছাপ পড়েনি সেই যুগের মানুষের মননে ও চিন্তাধারায়। সমাজের তথা যুগের পরিবর্তন শুধু স্বাধীনতা বা মুক্তিই নিয়ে আসেনা, একইসাথে অনেক জটিলতার জন্মও দেয় বটে। ''বকুলকথা" উপন্যাসেও সেই জটিলতার নানান পরিচয় মিলবে পাঠকদের। একইসাথে পাঠকের ভাবনার জগতে একটি চিন্তার খোরাক রেখে যাবে এই প্রশ্নটি-- "স্বাধীনতা ও স্বেচ্ছাচারীতার সীমারেখাটি ঠিক কোথায়?"

পাঠ প্রতিক্রিয়া
বইয়ের নাম: বকুল কথা
লেখিকা: আশা��ূর্ণা দেবী
ধরন: সামাজিক-পারিবারিক উপন্যাস
প্রথম প্রকাশ: ১ মার্চ ১৯৭৩
প্রকাশনী: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড
মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা: ২৮২
ব্যক্তিগত রেটিং: ৩/৫
3 reviews2 followers
October 29, 2021
Book Review: Bakul Katha: Tale of the Emancipated Woman
Original Novel: Ashapurna Debi
Translation: Lopamudra Banerjee
Publisher: Avenel Press, India (2021)

“Each time a woman stands up for herself, without knowing it possibly, without claiming it, she stands up for all women.”
Eminent poet Maya Angelou’s pulsating words reverberated with every word I read in Lopamudra Banerjee’s translated work Bakul Katha – Tale of the emancipated woman, originally written by Ashapurna Debi.
When you hear the name ‘Ashapurna Debi’, do you think about a resilient and promising woman? I do, and her name warms my soul! The primary reason is that I cherish the sincerity in her thoughts and her unrestrained voice to inspire woman to unabashedly occupy their ultimate sovereignty. Besides, I also cherish her relentless efforts to awaken the subjugated women from their stupor, encouraging them to break the shackles of servitude and oppression and unfetter themselves. She offers a thought-provoking insight into the psyche of a woman and throws light on the oppressive societal milieu.
Ashapurna Debi is a household name in Bengal. She is popular for her Sui Generis nature of challenging hegemony. Her nonconformist ideology reflects in her writings as she wanted to create a safe haven for woman where they can voice their opinions, where they are not treated with disrespect and derision.
It was her powerful trilogy which catapulted her to fame and glory. The three novels ‘Pratham Protisruti’, ‘Subarnalata’, and ‘Bakul Katha’ depicts women’s emancipation in three unique ways, encompassing the stories of three generations of women. In Bakul Katha, the last novel of the famed trilogy, we are impressed by the personality of an educated and economically independent feminist writer. She appears contemporary to readers of today since she unveiled the toxic masculine world where women are taught from a tender age to relinquish their voices.
I’ve read many bowdlerized versions of translations before, but Lopa di’s works of translation have changed my notion! Not to mention that ‘Bakul Katha: Tale of the Emancipated Woman’ is her best translated work so far (in my opinion). Each chapter of these 37 chapters of the book has a story to tell. Some will make you nostalgic, happy, cheerful, while some others will make you utterly crestfallen! Lopamudra Banerjee has translated the masterpiece with marvellous eloquence and intricate precision. In the process of translating one of the finest works of Ashapurna Debi, she has paved the way to an international readership for Bakul Kotha and has opened up door to a cross-cultural discourse on the book, which is a fantastic tribute to Ashapurna Debi.
In Bakul Katha, we are taking a dip into the fjord of a plethora of emotions. I stifled a giggle while reading Shampa’s chronicle of love-affairs, her encounter with men, and fought back tears reading parts such as this:
“… after a few days, there were no significant memory of Shovan’s mother’s stay in the house. The unfinished sweater which she was weaving for Shovan lay over the trunk for many days, and then disappeared eventually…” as I read these lines, my eyes were fogged with uncontrollable tears and my heart ached for Parul, Bakul’s Sej di.

Many a times, I found the woman in me mumble beneath my breath while reading lines:
“You know saris with red borders carry that strong smell of being a pati brata , reeking with unquestioned obeisance to our husbands. I can’t seem to stand that smell…I would be carrying that fake advertisement along with those sarees if I ever wore any of them’’.
Some of the passages had me introspecting –
“ …in this same house women still care to cover their heads in veils in the presence of their elders…in this same house, there is still the traditional ritual of ‘itu puja’ in a corner of the kitchen…women of the household still read the thin book, invoking Goddess Lakshmi. And then in this same house there is Shampa! Which one of it is true?”
I read and re-read and savoured each word that I could relate to, with a lump in my throat, a smirk on my brow! The agony and ecstasy tucked beneath the duvet of each chapter, the paradoxical setting blew away my mind! More so, because all these are still very relevant to us.
This is a story that evokes all kind of emotions and throws a light on the muffled voices of women lying submerged just under the surface of society’s male-dominated gaze. At the same time, it talks about the rebellious blood that screams for liberation.
The story puts into perspective many things- it talks to us about that lonely desolate place that we all have experienced at some point, because of the way our culture is set up. The intimidating Do’s and Don’ts that muffle our voices since childhood until we break free!
Bakul Katha is also a way of seeing and comprehending beyond traditional values and instigates us to reclaim our true power! A reminder that once we emerge from the depths of darkness, we can turn our faces to the light with renewed courage.
The book is full of points and counterpoints and pinpoints a lot of questions that would make you introspect more about yourself and the society around you.
I have to mention that I am in constant awe of Lopamudra Banerjee’s choice of words and diction and I emphatically stress on the fact that she is one of the best translators of our times! I have read her translated works before and can vouch for this! She is gifted with superlative grip on the English language; thus, her translated works retain the flavour of the original book. This book in particular, has no additional redactions and has been engineered with utmost ingenuity. I bow my head to Lopa di for having the courage and passion to execute such a mammoth task with such brilliance!
I believe, translation is the most challenging task to achieve excellence in, But Lopa di has proved me wrong, time and again, and yet again! With her smooth flow of words and a nuanced understanding of the human psyche, she has swept the reader and the woman in me and carried me along with the flow. I could visualise the story, feel, sob, smile as I merged into the story and found a part of me that I didn’t even know existed as I experienced diverse perspectives on situations that life throws at us.
The book has been published by Avenel Press, India and is available both in Amazon India and worldwide.
Profile Image for Jannatun Naher.
14 reviews2 followers
May 22, 2021
এই ট্রিলজির দ্বিতীয় অংশ মানে "সুবর্ণলতা"র সাথে যদি তুলনা করি, তাহলে বলব খুব একটা ভালো লাগেনি (প্রথম অংশটা পড়া হয়নি)! কিন্তু উনার লেখায় চিন্তার শক্তি আছে যা আমাকে, আমার চারপাশের পরিবেশ,সমাজ কিংবা এই যুগের সময়টা নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে।আর সেই ভাববার জায়গা থেকে বললে, বইটা মন্দ নয়!
সুবর্ণলতার মাঝে তার মায়ের প্রতিচ্ছবি থাকলেও, বকুলের মাঝে তার মায়ের বৈশিষ্ট্য প্রকট ছিল না। বরং মনে হয়েছে, সেই বৈশিষ্ট্যের ধারা কিছুটা পারুল (সুবর্ণলতার সেজ মেয়ে) আর শম্পার (সুবর্ণলতার ছেলের মেয়ে) মাঝে আছে। বকুলের মাঝে যে একদমই নেই, তা হয়। সে হয়তো তার মায়ের প্রকাশ না পাওয়া লেখনীর গুণটা ই পেয়েছিল। বংশের ধারা তো এমনেই, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে যায়!
সাধারণত উপন্যাসের মতো একটা চরিত্রকে আবর্তিত করে লেখা নয়, তাই পড়তে গিয়ে একাধিকবার মনে হবে কোথায় যেন ঠিক ছন্দ মিলছে না! আমার কাছে মনে হয়েছে, এখানে ঐ সময়টাকে কেন্দ্র করে কয়েকটা চরিত্র নিয়ে গল্পের প্লট। বইটির প্রথম প্রকাশকাল ১৯৭৩ সাল, অথচ পড়ার সময় মনে হয়েছে তা যেন এই সময়ের ই কথা। পুরোনো কত নিয়ম, কত শৃংঙ্খলা আমরা ভেঙ্গে মুক্ত হতে চাইছি কিন্তু সত্যিই কি সব শৃঙ্খল ভেঙে ফেললেই আমরা মুক্তি পাবো? ঘর থেকে বের হওয়ার স্বাধীনতা কি পারে আমাদের মনের মুক্তি এনে দিতে? বকুল তো নিজের ইচ্ছায় অবিবাহিত থেকেছিল, ঘরের বাইরে বের হওয়ার স্বাধীনতা পেয়েছিল তবুও কেন মনে হয়েছিল, সে পরাধীন!!
Profile Image for Divya Dugar.
9 reviews
January 26, 2018
In comparison to Suvarnalata, whose spirit was undying and resilience almost enviable, Bakulkatha is on the damper side.

The protagonist isn't very strong, the love life isn't very exciting. Though it is still a good read, the book does not sparkle.

I read the Hindi translation of the book and the translation was good.
Profile Image for Rabeka Mustarina.
18 reviews7 followers
July 19, 2022
ইদানিং জীবন বিশ্লেষণধর্মী লেখা পড়তে ভালো লাগছে। সত্যবতী সিরিজের এই শেষ ব‌ইটির আগাগোড়া ই জীবনের বিশ্লেষণে ভরা। সমাজ, জীবন, আদর্শ, সংস্কার সবকিছুকে অনামিকা দেবী নির্লিপ্ত হয়ে তলিয়ে দেখার চেষ্টা করেন, নির্মোহ হতে চান, অকাট্য সত্য পেতে চান। কিন্তু শেষমেশ কেউ ই পায় না পূর্ণতা। এটাই মহাকালের রীতি, সে এগিয়ে যায় আপন ছন্দে। আজ যা ঠিক কাল তা ভুল হয়। ঠিক আর হয়না পুরোপুরি।
14 reviews4 followers
September 30, 2020
সুবর্ণলতার যোগ্য উত্তরসুরী শম্পা হতে পারে, বকুল-পারুল নয়।
Profile Image for Debraj Moulick.
21 reviews
February 21, 2022
Bakul Katha: Tale of the Emancipated Woman.
Original Work (Bengali): Ashapurna Debi.
Translated Version (English) : Lopamudra Banerjee Lopa Banerjee
A Review
Translation ushers a world of dichotomy in itself. According to one school of thought, if a translation is good then it is not a faithful adaptation while if it is faithful to the original, it is not worth a read. Language has always been the den of sexism and no doubt the fate of translation has been compared with the fidelity of women. A faithful woman is not beautiful and you know the rest.
Dylan said “ Times are changing1” but when Ashapurna Devi was penning this avant garde tale of a Bengali woman, the society was not willing to allow the discourse of feminism, but “Bakul Katha” stood the test of time and it is one of the reasons that Lopamudra Banerjee, an accomplished author as well as a translator takes up this excruciating task of adapting the text in English. Well , brownie points for selecting this text and giving a slowgasm for the readers.
Banerjee’s craft of characterization deserves applause, a real one. It never tries to showcase the scholastic attitude of an academician but it is kept as real as possible just like the landscape of Ashapurna Debi’s Bangla, say Bengal. The language is lucid and the sweetness of Bangla language has been kept intact throughout the entire text. One love from Bangla, I would have loved to draw a heart emoji over here.
I would ask the reader to sit with a goblet of wine and enjoy this neo world of erstwhile Bengal where the lead character not only fought for herself but for the entire feminine population of the bygone era. The translated version is the fitting finale to the Satyabati Trilogy which started with Pratham Pratisruti & Subarnalata
You need to bask in the aftertaste of the wine once you are getting entangled with the life of Anamika Devi, a famous author whose life and views towards life shows a rebel in disguise who is striving to make the society a better place for everyone and she expects nothing in return, selflessness at it’s best.
“ To Strive To Seek To Find But Not To Yield2”
( Ulysses, Tennyson)
The brown men were oppressed by the white men and the brown women were oppressed by both and the birth of new India doesn’t mean a complete freedom for women folk but a slow trajectory into the world of chaos and the conditional freedom. Well Bakul (Anamika Debi ) was well read, educated in a real sense and her presence evoked empowerment in every possible sense but what about those in and around her ? Banerjee has kept her language in the neutral zone allowing the reader to decide the tone of the text and she plays it rather well since she is dealing with the new age readers who have not only read the original one by Ashapurna Debi but also are aware of feminism, bravo.
The aim of the this adapted version in itself is a bold one and after going through the text, Maya Angelou’s 3 lines suddenly fit into the life of Bakul.
You need to find out on your own whether the ‘sassiness’ of an empowered woman upsets you ? Does it hurt the pride of patriarchy (found in both men & women ) ? Whether the answer is Yes or No, still she rises....
So here is a tale of a woman by a woman and a translation by a woman...
Somewhere someone is humming “ O Womaniya4”
Kudos for the afterlife of Bakul, the courage stays on...
Well, translation does add to the life of the original one...
Profile Image for Tasmin Nisha.
77 reviews1 follower
May 18, 2022
বকুলকে নিয়ে বকুল কথা, সুবর্ণলতার কনিষ্ঠ কন্যা। অবশ্য তার আরেক নাম আছে, অনামিকা দেবী। পাঠক সমাজ তাকে এই নামেই জানে। মুক্তিকেশীর বংশে একজন লেখিকা, অদ্ভুতও বটে। যে মুক্তকেশীর সংসারে মেয়েদের শ্বাস ফেলার আগেও শাশুড়ি, স্বামী থেকে অনুমতি নিতে হতো সেই সংসারে একজন লেখিকা জন্মাল কী করে। শুধু তাই নয় এই মুক্তকেশীর সংসারে অল্প বয়সেই মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হতো কিন্তু বকুল তো বিয়েও করেনি, প্রবোধচন্দ্র জীবিত থাকতে এ সম্ভব হলো কী করে কে জানে। আর বকুলের ভাইয়েরা যারা কড়া শাসনে বোনদের রাখতো তারাও বা এইসব হজম করলো কী করে।

সময়ের সাথে সাথে মুক্তকেশীর বংশে অনেক পরিবর্তন এসেছে, আসতে বাধ্য হয়েছে। যেই সংসারে সুবর্ণলতাকে সামান্য আবদার করতেও দশবার ভাবতে হতো, সেই একই সংসারে এই বাড়ির মেয়ে, বউদের সেই কষ্ট করতে হয় না। বইয়ের মূল বিষয় স্বেচ্ছাচারিতাকে ঘিরে। স্বেচ্ছাচারিতার ফলে আজ আমরা আমাদের মন অনুযায়ী যা ইচ্ছে তাই করছি, সম্পর্কগুলোকে ঠুনকো মনে করছি - হাত দিয়ে গড়লাম , বানালাম, সাজালাম আবার একই হাত দিয়ে ভাঙলাম।

সত্যি কথা বলতে এই বইকে আমার সত্যবতী ট্রিলজির অংশ মনে করতে কষ্ট হচ্ছে। সত্যবতী বা সুবর্ণকে আমি যতো কাছ থেকে দেখতে পেয়েছি তার সিকিভাগও আমি বকুলের বেলায় পাইনি। আগের বই দুটিতে সংলাপগুলো কী দারুণ ছিল যা এই বইয়ে আমি খুঁজে পাইনি তেমন একটা। আবার বইয়ে বেশ কিছু অংশ অপ্রাসঙ্গিক। হঠাৎ জীবনমুখী আলোচনা হচ্ছে আবার সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে - এ এক জগাখিচুড়ী।

বইয়ে পারুল নামের চরিত্রটিকে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। পারুল বকুলের সেজদিদি। খুবই স্নিগ্ধ একটি চরিত্র। বকুলের সাথে পারুলের কথপোকথনের অংশগুলো আমার কাছে সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য ছিল। বইয়ের নাম বকুল কথা না হয়ে পারুল কথা হওয়া উচিত ছিল। বইয়ের মাঝে এসে এতো বিরক্ত লাগছিল যে বইটা রেখে নতুন বই পড়া শুরু করি। তারপর আবার শুরু করেও কোনো লাভ হলো না , বইটি শেষ করার জন্য শেষ করা কেবল।
Profile Image for Boipoka.
235 reviews2 followers
January 29, 2019
এই বইটা তেমন ভালো লাগলো না। প্রথম প্রতিশ্রুতি এবং সুবর্ণলতা – দুটো বই ই ভালো লেগেছিল কারন সুন্দর গল্পের মধ্যে দিয়ে একটা সময়ের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছিল, নায়িকাদের জীবনের মধ্যে দিয়েই ফুটে উঠেছিল লেখকের জীবনদর্শন। কিন্তু এই বইটাতে বড্ড বেশি জ্ঞানদান হল – অর্ধেকের বেশি situations খুব contrived মনে হলো, শুধু লেখকের জীবন দর্শন আলোচনা করার জন্য। গল্পগুলি তেমন জমলো না। বকুলের প্রেমটা আমার খারাপ লাগে নি – সেই সময়ের প্রেম ওরম হাওয়া ছাড়া উপায় কি ছিল? সম্পার প্রেমটাই যেন ঠিক হজম করতে পারলাম না – মানে যে একদিন আগেও শুধু flirting এ interested ছিল, সে হঠাৎ করে এত প্রেমে পড়ে গেল, এবং সেই প্রেম চিরস্থায়ী হল? তার উপর ওই শালীনতা বজায় রাখার মারাত্মক প্রচেষ্টা – অলকার মেয়ের পরিণতি তো ঠিক করে বুঝলাম এ না, এত রেখেঢেকে লেখা। এবং হঠাৎ ৫০ বছরে এত কিছু কি করে বদলে গেলো? সেটা না দেখানোর ফলেও একটু ভালো না লাগা থেকে গেল। মোট কথা, বড়ো unsatisfactory এই বইটা।

তবু যে ভাবে সত্যবতির গল্পকে বকুলের গল্পের সাথে integrate করেছেন, আশাপূর্ণা দেবীকে credit দিতেই হয়। তাই ১ না দিয়ে ২ ই দিলাম।

Read for the challenge prompts -
PopSugar Reading Challenge - A book with a two word title
Around the Year in 52 Books - 2 books related to the same topic, genre, or theme: Book #2 (HerStory)
Displaying 1 - 25 of 25 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.